এলএনজির ব্যাপক উৎপাদন বাড়ানোর চেষ্টায় কাতার

সান বিডি ডেস্ক || প্রকাশ: ২০২০-১০-১৭ ১৪:১২:২১ || আপডেট: ২০২০-১০-১৭ ১৪:১২:২১

তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ব্যাপক পরিমাণে দ্রুত উৎপাদনের জন্য মরিয়া হয়ে চেষ্টা চালাচ্ছে কাতার।গুরুত্বপূর্ণ এই জ্বালানি পণ্যটির বাজারে দ্রুত সরবরাহ বাড়ানোর পরিকল্পনা হিসেবে দেশটি ২০২৫ সালের মধ্যে বার্ষিক উৎপাদন ১১ কোটি টনে নিয়ে যেতে চায়। আর এরও দুই বছর পর অর্থাৎ ২০২৭ সালে উৎপাদন আরো বাড়িয়ে ১২ কোটি ৬০ লাখ টনে নেয়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে জোরেশোরে কাজ করছে কাতার। তবে সবচেয়ে বড় কথা হলো কাতার এলএনজির বৈশ্বিক বাজারে নেতৃত্ব দিতে চায়। যে কারণে জ্বালানি পণ্যটির উৎপাদনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো লক্ষ্যে আটকে থাকতে চায় না তারা। খবর আর্জাস মিডিয়া ও গালফ টাইমস

বর্তমান বিশ্বে জ্বালানির বাজারে অন্যতম প্রভাবশালী দেশ কাতার। উপসাগরীয় এ ছোট তবে গুরুত্বপূর্ণ দেশটি দুই বছর আগে জ্বালানি তেল উত্তোলনকারী দেশগুলোর সংস্থা ওপেকের সঙ্গে ৫৭ বছরের সম্পর্কের ইতি টানেন। ওপেকের ধরাবাঁধা নিয়ম থেকে বের হয়ে এসে এর পর থেকেই বৈশ্বিক জ্বালানির বাজারে রীতিমতো আধিপত্যশীল ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে চলেছে দেশটি। এরই অংশ তাদের উৎপাদন সক্ষমতা নির্দিষ্ট গণ্ডির মধ্যে আবদ্ধ রাখতে না চাওয়া। যে কারণে বর্তমান বার্ষিক উৎপাদন সক্ষমতা ৭ কোটি ৭০ লাখ টন থেকে বাড়িয়ে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে কয়েক গুণে নিয়ে যেতে কাজ করছে উপসাগরীয় দেশটি। এজন্য দেশটির সুপারজায়ান্ট উত্তর ফিল্ড প্রকল্প থেকে রফতানি বৃদ্ধি করতে এরই মধ্যে রাস লাফান টার্মিনালের সঙ্গে আরো চারটি উৎপাদন ট্রেন সংযুক্ত করা হয়েছে।

এলএনজি উৎপাদন নিয়ে কাতারের এমন বড় লক্ষ্যমাত্রার বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে দেশটির জ্বালানিমন্ত্রীর কথায়ও। সম্প্রতি জাপানে একটি সম্মেলনে দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী সাদ শেরিদা আল কাবি এলএনজি উৎপাদনে তাদের অতিরিক্ত সক্ষমতা ব্যবহারের সম্ভাবনার বিষয়টি জানিয়েছেন। তিনি বলেন,  ২০১৭ সালে আমরা বছরে ১০ কোটি টন এলএনজি উৎপাদনের কথা জানিয়েছিলাম। তরে পরের বছরই আমরা আমাদের সেই লক্ষ্যমাত্রাকে আরো বাড়িয়ে ১১ কোটি টনে নিয়েছি। আর এখন যেহেতু নর্থ ফিল্ডে আমাদের আরো উৎপাদন সক্ষমতা বেড়েছে। সে কারণে আমরা উৎপাদন ২০২৭ সালের মধ্যে ১২ কোটি ৬০ লাখ টনে নিয়ে যেতে চাই।

সানবিডি/এনজে/২:১২/১০.১৭.২০২০

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ