পুরোদমে চলছে ‍মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দর নির্মাণ কাজ

সান বিডি ডেস্ক || প্রকাশ: ২০২০-১০-২৬ ১৮:০৩:৪২ || আপডেট: ২০২০-১০-২৬ ১৮:০৩:৪২

মহামারি করোনা পরিস্থিতির কারণে সাময়িক বন্ধ থাকলেও এখন পুরোদমে চলছে ‍মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দর নির্মাণ কাজ।নদী, রেল এবং সড়ক এই তিনমুখি পথেই থাকবে যোগাযোগের সুবিধা। জাহাজ নোঙর, বহিঃনোঙরের জন্য জোয়ারের অপেক্ষা করতে হবে না। কারণ সাড়ে ১৮ দশমিক ৫ মিটার থাকবে বন্দরের প্রবেশ মুখের নদীর গভীরতা। পাশপাশি থাকবে কন্টেইনার বহনে সবচেয়ে বেশি সক্ষমতা। ২০২৬ সালে যাত্রা শুরুর লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলছে দেশের একমাত্র গভীর সমুদ্রবন্দর মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণ কাজ।

চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার লবণমিশ্রিত মাটির এলাকা মাতারবাড়ি। বঙ্গোপসাগর উপকূলের সেই লবণমাটি খনন করে জাহাজ চলাচলের জন্য তৈরি করা হচ্ছে কৃত্রিম নৌপথ। ১৪ দশমিক ৩ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য আর ৩৫০ মিটার প্রশস্তের এই নৌপথ দিন রাত খনন করে চলেছে বিশ্বের অন্যতম বড় এবং ভারি খননযন্ত্র ‘ক্যাসিওপিয়া’। এই নৌপথে প্রবেশ মুখের ডান দিকে নির্মিত হবে দেশের প্রথম মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দরের টার্মিনাল।

গৃহীত পরিকল্পনা অনুযায়, গুরুত্বপূর্ণ এই বন্দর নির্মাণের প্রাথমিক পরিকল্পনায় প্রথমধাপে রয়েছে দুটি টার্মিনাল। সাধারণ পণ্যবাহী ও কনটেইনার টার্মিনালে বড় জাহাজ (মাদার ভ্যাসেল) নোঙড়ের সুবিধা। যা গভীরতা স্বল্পতার কারণে এখন দেশের কোনো সমুদ্র বন্দরের জেটিতে ভিড়তে পারে না। প্রথম ধাপে বন্দর ও পণ্য পরিবহনের জন্য সড়ক নির্মাণসহ খরচ ধরা হয়েছে ১৭ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকা। ২০২৬ সালে প্রথম ধাপের কাজ শেষ হবে। নির্মাণের প্রথমপর্যায়ে কন্টেইনার টার্মিনালটি ১৮ হেক্টর জমিতে নির্মিত হবে এবং ৪৬০ মিটার দীর্ঘ বার্থ থাকবে। এটি ৮ হাজার টিইইউ জাহাজ ধারণ করতে পারবে এবং বার্ষিক ক্ষমতা ৬ লাখ থেকে ১ দশমিক ১ মিলিয়ন টিইউই হবে। পরে কন্টেইনার টার্মিনাল প্রসারিত করা হবে। ৭০ হেক্টর জমিতে এই পর্যায়ে একটি ১ হাজার ৮৫০ মিটার বার্থ থাকবে। বার্ষিক ক্ষমতা হবে ২ দশমিক ৮ মিলিয়ন টন। দ্বিতীয় ধাপে তিনটি কন্টেইনার টার্মিনাল নির্মিত হবে। এভাবে পর্যায়ক্রমে টার্মিনালের সংখ্যা বাড়ানো হবে।

সানবিডি/এনজে/৬:০৪/১০.২৫.২০২০

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ