ঢাকা, , বুধবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮

দশ বছরে শিল্প মন্ত্রণালয়ের ব্যাপক অর্জন

নিজস্ব প্রতিবেদক || প্রকাশ: ২০১৮-১২-০৩ ১৮:৫৮:৩৭ || আপডেট: ২০১৮-১২-০৩ ১৯:০৬:৩৩

আওয়ামী লীগ নের্তৃত্বাধীন সরকারের দশ বছরে শিল্পমন্ত্রণালয়ের ব্যাপক অর্জন রয়েছে। সরকারের শেষ সময়ে এসে হিসাব-নিকাশ করছে মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত দশ বছরে শিল্পমন্ত্রণালয়ে জাতীয় আয়ে শিল্পখাতের অবদান বৃদ্ধি, রপ্তানি বৃদ্ধি, আইন ও নীতি সংস্কার, সুষ্ঠ সার ব্যবস্থাপনা,বন্ধ কারখানা চালু,হাজারিবাগের ট্যানারি স্থানান্তর, ওষুধ শিল্পের উন্নয়ন, সিরাজগঞ্জে বিসিক শিল্পপার্ক স্থাপন, ক্লাস্টার শিল্পনগরি স্থাপন,চিনি শিল্পের উন্নয়ন,মোটরযান শিল্পের উন্নয়ন, জ্বালানি সাশ্রয়ের উদ্যোগ,উৎপাদিত পণ্যের গুণগত মানোন্নয়নের প্রয়াস,অ্যাক্রেডিটেশন কার্যক্রম জোরদার, বেসরকারিখাতকে প্রণোদনা প্রদান,বিসিক শিল্পনগরিতে বেসরকারি বিনিয়োগ,কর্মসংস্থান,মধু ও লবণ উৎপাদন প্রমুখ।

জাতীয় আয়ে শিল্পখাতের অবদান বৃদ্ধিঃ
☞ বিগত দশ বছরে শিল্প মন্ত্রণালয় গৃহিত নানামুখী পদক্ষেপের ফলে সামগ্রিকভাবে শিল্পখাতে ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটেছে। বর্তমানে জাতীয় আয়ে শিল্পখাতের অবদান ইতোমধ্যে ৩৩.৭১ শতাংশ, যা ২০০৭-০৮ অর্থবছরে ছিল ১৭.৭৭ শতাংশ।

রপ্তানি বৃদ্ধিঃ
☞ ২০০৫-০৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ছিল ১০.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৬.৬৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। এক্ষেত্রে শিল্প মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। শুধুমাত্র বিসিক শিল্পনগরির রপ্তানিমুখী শিল্প ইউনিটগুলোতেই বছরে ২৫ হাজার ২৪২ কোটি টাকার পণ্য উৎপাদিত হচ্ছে।

আইন ও নীতি সংস্কারঃ
টেকসই ও জ্ঞানভিত্তিক শিল্পায়নের লক্ষ অর্জনে শিল্প মন্ত্রণালয় জাতীয় শিল্পনীতি-২০১০ ও জাতীয় শিল্পনীতি-২০১৬, শিল্পপ্লট বরাদ্দ নীতিমালা-২০১০, জাতীয় মোটরসাইকেল শিল্প উন্নয়ন নীতি-২০১৮, শিপ ব্রেকিং অ্যান্ড শিপ রিসাইক্লিং রুলস্-২০১১, হস্ত ও কারু শিল্প নীতিমালা-২০১৫, জাতীয় গুণগত মান (পণ্য) ও সেবানীতি-২০১৫, জাতীয় এসএমই নীতিমালা, ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন বা জিআই ‘ল’-২০১৩, ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য নিবন্ধন বিধিমালা-২০১৫, বাংলাদেশ জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ আইন, ২০১৮, ভোজ্য তেলে ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধকরণ আইন-২০১৩, ভোজ্যতেলে ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধকরণ বিধিমালা-২০১৫, জাতীয় লবণনীতি-২০১১, রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার প্রদান সংক্রান্ত নির্দেশনাবলী-২০১৩, ওজন ও পরিমাপ মানদন্ড আইন, ২০১৮ এবং বাংলাদেশ স্ট্যান্ডাডর্স এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন আইন, ২০১৮ প্রণয়ন করেছে। এছাড়া ট্রেডমার্কস আইন-২০০৯ এবং পেটেন্ট ও ডিজাইন আইন সংশোধন করে যুগোপযোগী করা হয়েছে।

সুষ্ঠ সার ব্যবস্থাপনাঃ
☞ বিগত দশ বছর দেশের কোথাও সারের কোনো সংকট হয়নি।
☞ অভ্যন্তরীণ উৎপাদন থেকে সারের চাহিদা মেটাতে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে বার্ষিক ৫ লাখ ৮০ হাজার ৮শ’ মেট্রিক টন উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন শাহজালাল ফার্টিলাইজার কারখানা নির্মাণ করা হয়েছে।
☞ ১০ হাজার ৪৬০ কোটি ৯১ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে বার্ষিক ৯ লাখ ২৪ হাজার মেট্রিক টন উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন ‘ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার প্রকল্প’ শীর্ষক দেশের সর্ববৃহৎ ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে।
☞ পিক সিজনে চাষিদের চাহিদামাফিক সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে দেশের বিভিন্ন জেলায় ১৩টি বাফার গুদাম নির্মাণের কাজ চলছে। ৫ লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন আরও ৩৪টি বাফার গুদাম নির্মাণের প্রকল্প একনেকে অনুমোদিত হয়েছে।

বন্ধ কারখানা চালুঃ
☞ দীর্ঘ ২৪ বছর বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশনের (বিএসইসি) আওতাধীন রাষ্ট্রায়ত্ত রি-রোলিং মিল ঢাকা স্টীল ওয়ার্কস লিমিটেড পুনরায় চালু করা হয়েছে। বন্ধ কারখানা চিটাগাং কেমিক্যাল কমপ্লেক্স (সিসিসি) পুনরায় চালুর পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয়েছে।

হাজারিবাগের ট্যানারি স্থানান্তরঃ
☞ অনেক প্রতিকূলতা স্বত্ত্বেও হাজারিবাগ থেকে ট্যানারি শিল্প সাভারে স্থানান্তর সম্ভব হয়েছে। ১ হাজার ৭৮ কোটি ৭১ লাখ টাকা ব্যয়ে কেন্দ্রিয় বর্জ্য শোধনাগারসহ (সিইটিপি) পরিবেশবান্ধব চামড়া শিল্পনগরি স্থাপন করা হয়েছে। এতে ১ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় রাজশাহী ও চট্টগ্রামে দু’টি ট্যানারি শিল্পপার্ক স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

ওষুধ শিল্পের উন্নয়নঃ
☞ ওষুধ শিল্পের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশীপের মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় ৩৮১ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০০ একরেরও বেশি জায়গার ওপর এপিআই শিল্পপার্ক স্থাপন করা হয়েছে। এ নগরিতে ৪২টি প্লটে ওষুধ শিল্পের মৌলিক কাঁচামাল উৎপাদিত হবে।

বিসিক শিল্পপার্ক, সিরাজগঞ্জ স্থাপনঃ
☞ শিল্পায়নের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গা করার লক্ষ্যে ৬২৮ কোটি ১০ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ৪০০ একর জমির ওপর সিরাজগঞ্জে বিসিক শিল্পপার্ক গড়ে তোলা হচ্ছে। এ নগরির ৮২০টি শিল্প প্লটে আমদানি বিকল্প ও রপ্তানিমুখী শিল্পপণ্য উৎপাদিত হবে। এতে ১ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে।

ক্লাস্টার শিল্পনগরি স্থাপনঃ
☞ রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, প্লাস্টিক, কেমিক্যাল ও মুদ্রণ শিল্পের জন্য আলাদা শিল্পনগরি স্থাপনের কাজ চলছে।

চিনি শিল্পের উন্নয়নঃ
☞ রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকলে ই-পূর্জি ও ই-গেজেট পদ্ধতি চালু করে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সময়মত আখ চাষিদের পাওনা পরিশোধের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
☞ চিনিকলগুলোতে পণ্য বৈচিত্রকরণ উদ্যোগের অংশ হিসেবে অ-মাড়াই মৌসুমে আখের বিকল্প হিসেবে সুগার বিট থেকে চিনি এবং ‘র’ সুগার থেকে পরিশোধিত চিনি উৎপাদনের প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
☞ এছাড়া, প্রেসমাড ও স্পেন্ট ওয়াস থেকে জৈব সার উৎপাদন এবং চিনিকলের ব্যাগাস এবং অমৌসুমে কয়লাকে ফুয়েল হিসেবে ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ‘কো-জেনারেশন অব পাওয়ার’ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

ঐতিহ্যবাহী পণ্যের মালিকানা সংরক্ষণঃ
☞ বিশেষ ভৌগলিক বৈশিষ্ট্যের অধিকারী পণ্যের মালিকানা সুরক্ষায় জাতীয় সংসদে জিআই ‘ল’ পাস করে এর আওতায় জাতীয় মাছ ইলিশ এবং ঐতিহ্যবাহী জামদানিকে জিআই সনদ দেয়া হয়েছে।

সৃজনশীল উদ্ভাবনঃ
☞ বিটাক প্রতিবন্ধীদের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে বিশেষ ডিজাইনের হাইড্রোলিক লিফ্ট উদ্ভাবন করেছে।

পরিবেশবান্ধব জাহাজ নির্মাণ ও জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের প্রসারঃ
☞ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার চরনিশানবাড়িয়া ও মধুপাড়া মৌজা এবং বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলার ছোটনিশানবাড়িয়া মৌজায় পরিবেশবান্ধব শিপ বিল্ডিং ও রিসাইক্লিং জোন গড়ে তোলা হচ্ছে।

মেধাবী জনগোষ্ঠি গড়ে তোলার উদ্যোগঃ
☞ মেধাবী জনগোষ্ঠি গড়ে তোলার জন্য আয়োডিনযুক্ত ভোজ্য লবণ উৎপাদন এবং ভোজ্য তেলে ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধকরণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ১৯৯৩ সালে দেশে আয়োডিন ঘাটতিজনিত রোগব্যাধিতে আক্রান্ত মানুষের পরিমাণ ছিল ৬৮.৯০%, যা বর্তমানে ৩৩.৮০% এ নেমে এসেছে।

নতুন শিল্পখাত ঘোষণাঃ
☞ পরিবেশসম্মতভাবে জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ বা শিপ রিসাইক্লিং কার্যক্রম, সংবাদপত্র এবং চলচ্চিত্র নির্মাণকে শিল্প হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি অর্থনৈতিক গুরুত্ব বিবেচনায় আগরকেও ক্ষুদ্র শিল্প হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

নারী উদ্যোক্তাদের পৃষ্ঠপোষকতা দানঃ
☞ দক্ষ নারী উদ্যোক্তা গড়ে তোলার জন্য সিঙ্গেল ডিজিট সুদে অর্থায়নের পাশপাশি বিসিক শিল্পনগরিতে ন্যূনতম শতকরা ১০ ভাগ প্লট নারী উদ্যোক্তাদের মাঝে বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে।

মোটরযান শিল্পের উন্নয়নঃ
☞ রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজের মাধ্যমে পাজেরো স্পোর্ট সিআর-৪৫ সংযোজন করে বাজারজাত করা হচ্ছে।
☞ বিএসইসি এবং জাপানের হোন্ডা মটরস্ কোম্পানির যৌথ বিনিয়োগে গঠিত বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেড এর মাধ্যমে হোন্ডা ব্র্যান্ডের মোটর সাইকেল বাংলাদেশে উৎপাদন করে বাজারজাত করা হচ্ছে।

জ্বালানি সাশ্রয়ের উদ্যোগঃ
☞ জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানা ইস্টার্ন টিউবস্ লিমিটেডে এনার্জি সেভিং বাল্ব ও টি-৮ টিউব লাইট সংযোজন ও বাজারজাত করার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

উৎপাদিত পণ্যের গুণগত মানোন্নয়নের প্রয়াসঃ
☞ ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এবং ইউনিডোর সহায়তায় ন্যাশনাল কোয়ালিটি পলিসি প্রণয়ন করা হয়েছে। ইউনিডো’র সহায়তায় বিএসটিআইতে বিশ্বমানের ন্যাশনাল মেট্রোলজি ল্যাবরেটরি স্থাপন করা হয়েছে।
☞ জেলা পর্যায়ে বিএসটিআই এর অফিস সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে ফরিদপুর, কুমিল্লা, রংপুর, কক্সবাজার ও ময়মনসিংহে ‘বিএসটিআই অফিস-কাম-ল্যাবরেটরি’ স্থাপনের কাজ চলছে।

অ্যাক্রেডিটেশন কার্যক্রম জোরদারঃ
☞ বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ডের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। বিএবি ইতোমধ্যে অ্যাক্রেডিটেশন বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা আইলাক ও আঞ্চলিক সংস্থা এপলাকের পারস্পরিক গ্রহণযোগ্যতার স্বীকৃতি বা গজঅ ঝঃধঃঁং অর্জন করেছে।
☞ বিএবি এ পর্যন্ত ৬২টি টেস্টিং, ক্যালিব্রেশন ও মেডিক্যাল ল্যাবরেটরি, সনদ প্রদানকারী এবং পরিদর্শন সংস্থাকে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে অ্যাক্রেডিটেশন সনদ প্রদানে সক্ষম হয়েছে।

বেসরকারিখাতকে প্রণোদনা প্রদানঃ

☞ শক্তিশালী বেসরকারিখাতের বিকাশে ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার’, সিআইপি (শিল্প) কার্ড বিতরণ এবং ‘প্রোডাক্টিভিটি অ্যান্ড কোয়ালিটি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হচ্ছে।

বিসিক শিল্পনগরিতে বেসরকারি বিনিয়োগঃ
☞ বিদ্যমান ৭৬টি বিসিক শিল্পনগরির পাশাপাশি ২৬টি শিল্পনগরি প্রতিষ্ঠার কাজ চলমান রয়েছে। আরও ১৬টি শিল্পনগরি গড়ে তোলার বিষয় প্রক্রিয়াধীন। বর্তমানে বিসিক শিল্পনগরিগুলোতে ১০ হাজার ৫৮৯টি শিল্পপ্লটে স্থাপিত শিল্প কারখানায় প্রায় ২৫ হাজার ৪১৯ কোটি টাকা বেসরকারি বিনিয়োগ হয়েছে। শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোতে বছরে ৫৯ হাজার ১০৭ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের পণ্য উৎপাদিত হয়।

কর্মসংস্থানঃ
☞ গত দশ বছরে শিল্প মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর/সংস্থায় ৪,০০৯ জনকে বিভিন্ন পদে নতুন নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
☞ দেশে বর্তমানে প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার ক্ষুদ্র শিল্প এবং সাড়ে ৮ লাখেরও বেশি কুটির শিল্প রয়েছে। ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পখাতে এ পর্যন্ত প্রায় ৩৮ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে। পাশাপাশি দেশে প্রায় ১০ লাখ এসএমই উদ্যোক্তা গড়ে ওঠেছে। এসব এসএমই শিল্প ডিজিপিতে শতকরা ২৩ ভাগ এবং মোট শিল্প কর্মসংস্থানে শতকরা ৮০ ভাগ অবদান রাখছে।
☞  প্রধানমন্ত্রীর ‘ঘরে ঘরে কর্মসংস্থান সৃষ্টির’ ঘোষণা বাস্তবায়নে বিটাক গৃহিত হাতে-কলমে কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র্য বিমোচন প্রকল্পের আওতায় অক্টোবর ২০১৮ পর্যন্ত ১৩,৪৩৬ জন পুরুষ এবং ৯,৮৭৪ জন মহিলাসহ সর্বমোট ২৩,৩১০ জনকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৩,৮০৪ জন পুরুষ এবং ৩,৭২১ জন মহিলাসহ সর্বমোট ৭,৫২৫ জন প্রশিক্ষণ সমাপ্ত হবার সাথে সাথেই চাকরি পেয়েছেন।

মধু ও লবণ উৎপাদনঃ
☞ বিগত দশ বছরে বিসিকের আওতায় সরকারিভাবে ২৪.৫০ মেট্রিকটন ও বেসরকারিভাবে ৪৯৫৯.৫০ মেট্রিকটন মধু উৎপাদিত হয়েছে। এছাড়া, বিগত দশ বছরে বিসিকের আওতায় ১৪২.৮৪ লাখ মেট্রিক টন লবণ উৎপাদন হয়েছে।