ঢাকা, , সোমবার, ২৫ মার্চ ২০১৯

সাশ্রয়ী ও সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সুবিধা দিতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক || প্রকাশ: ২০১৯-০১-০৮ ১৫:২৫:৪২ || আপডেট: ২০১৯-০১-০৮ ১৫:২৫:৪২

নতুন সরকারের মন্ত্রীসভায় ২য় বারের মতো বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণলয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন নসরুল হামিদ। তিনি বলেন, আমরা মানুষের কাছে বিদ্যুৎ সুবিধা পৌঁছে দিয়েছি, এখন

বিদ্যুৎ যাতে নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে প্রদান করতে পারি সেটাই আমাদের মূল লক্ষ্য।

মঙ্গলবার ( ৮ জানুয়ারি) ধানমন্ডিতে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন ও জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণের পর মন্ত্রণালয়ে ফিরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘আমি এক নাম্বার ছিলাম, এক নাম্বার হয়েই থাকতে চাই।’

এসময় জ্বালানি, বিদ্যুৎ এবং পিডিবির সিবিএ আলাদাভাবে তিনটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

প্রথমে জ্বালানি সচিব রহমাতুল মুনিমের সভাপতিত্ব মন্ত্রীকে ফুলেল অভিনন্দন জানান। এরপর বিদ্যুৎ ভবনের বিজয় হলে বিদ্যুৎ সচিব দ. আহমদ কাউকাসের সভাপতিত্ব প্রতিমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান। পরবর্তীতে একই ভবনের মুক্তি হলে পিডিবির সিবিএ নেতারা তার সংবর্ধনার আয়োজন করেন। জ্বালানি সচিব রহমাতুল মুনিম বলেন, ‘নসরুল হামিদের গতিশীল নেতৃত্বে জ্বালানি বিভাগ বহুদূর এগিয়েছে। তিনি আবার প্রতিমন্ত্রী হয়ে আসায় আমরা আনন্দিত। আমরা চেষ্টা করবো তার নেতৃত্বে আগের চেয়ে আরও গতিশীল ভূমিকা রাখবো।’

বিদ্যুৎ সচিব আবারও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নসরুল হামিদকে দায়িত্ব দেওয়ায় বিদ্যুৎ বিভাগের সব কর্মকর্তা- কর্মচারীদের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান।
সচিব বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতির পরিধি বাড়ছে। এই অর্থনীতির পেছনে বড় চালিকাশক্তি বিদ্যুৎ। তাই এখন আমাদের সব কিছু নতুন করে চিন্তা করতে হবে। গতানুগতিক কার্যক্রম থেকে আমাদের বেড়িয়ে আসতে হবে। আরও গতিশীলতার সঙ্গে প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।’

তিনি বলেন,‘নির্বাচনি ইশতেহারে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতি ও মাদক নির্মুলের অঙ্গীকার করা হয়েছে। আমরা সেই লক্ষ্যে কাজ করবো। আমরা গ্রামকে শহরে রূপান্তরের ঘোষণা করেছি। তার মানে গ্রাম শহর হয়ে যাবে না। গ্রামে শহরের সুবিধা সম্প্রসারিত হবে। শুরু করা মানে নতুন করে শুরু করা নয়, পুরনো প্রকল্পগুলোর সফল বাস্তবায়ন করতে হবে।’
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ জ্বালানি বিভাগের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী ছাড়াও সংস্থার প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।