৪২ মণ ওজনের টাইগারের দাম ৩০ লাখ!

সান বিডি ডেস্ক || প্রকাশ: ২০১৯-০৭-৩১ ১৬:২৭:১৭ || আপডেট: ২০১৯-০৭-৩১ ১৬:২৭:১৭

একটি ষাঁড়ের দৈর্ঘ্য ৯ ফুট আর উচ্চতা সাড়ে ৫ ফুট। ওজন ৪২ মণ। কালো আর সাদা রঙ মিশ্রিত সুঠাম স্বাস্থ্যর অধিকারী ষাঁড় গরুটির নাম ‘টাইগার’। কোরবানি পশুর হাটে টাইগারের দাম হাঁকা হয়েছে ৩০ লাখ টাকা। পাবনার চাটমোহর উপজেলার খামারি মিনারুল ইসলামের খামারে এই বিশাল ষাঁড় গরুটি দেখতে প্রতিদিন দূরদূরান্ত থেকে ভিড় করছে উৎসুক মানুষ।

উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের ছোট গুয়াখড়া গ্রামের মৃত আলহাজ আকুল প্রামানিকের ছেলে মিনারুল ইসলাম (৪৪) এক বছর চার মাস আগে প্রতিবেশী এক বন্ধুর ১৫-১৬ মণ ওজনের গরুটি কিনে নেন। এরপর দেশীয় পদ্ধতিতে নিজের খামারে প্রথমবারের মতো গরু মোটাতাজা শুরু করেন মিনারুল। ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে তার সেই ষাঁড় গরুটি। নাম দেন টাইগার। ফিজিয়ান জাতের এ গরুটির বর্তমান ওজন ৪২ মণ।

মিনারুলের স্ত্রী জাকিয়া সুলতানা জানান, তিনি তার স্বামীকে গরু পালনে সহযোগিতা করে থাকেন। টাইগারকে দেখতে প্রতিদিন অনেক লোক আসে। চারজন শ্রমিক গরুটির দেখাশোনা করেন।

গরুটির দেখাশোনার দায়িত্বরতদের একজন বারেক মোল্লা বলেন, আমার জীবনে এত বড় গরু কোনোদিন পালিনি। গরুটির স্বভাব খুবই ভালো। তবে বেশি লোকের ভিড় দেখলে রেগে যায়।

খামারি মিনারুলের ছোট ভাই আলতাফ হোসেন বলেন, প্রতিদিন মানুষ দল বেঁধে গরুটি দেখতে আসে। গরুটির যদি ন্যায্য দাম পাই তাহলে আমার বড় ভাইকে আগামীতে গরু মোটাতাজাকরণে উৎসাহিত করব।

খামারি মিনারুল ইসলাম জানান, গরুটা প্রথম যখন কিনি তখন ১ লাখ ৪২ হাজার টাকা দিয়ে, তখন ওজন ছিল ১৫ থেকে ১৬ মণ। দেশীয় খাবার খাইয়ে মোটাতাজা করা হয়েছে। আমি এখন বাজারমূল্য চেয়েছি ৩০ লাখ টাকা। গরুর ওজন ৪২ মণ ছাড়িয়ে গেছে। এখন কাঙ্ক্ষিত দামে বিক্রি করতে পারলেই আমি খুশি।

পাবনা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আল মামুন হোসেন জানান, পাবনা জেলায় এ বছর খামারিরা সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে পশুগুলো মোটাতাজা করেছেন। মিনারুলও তাদের একজন। তিনি তার গরুটির ভালো দাম পাবেন বলে প্রত্যাশা করি।

 

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ