বৈশ্বিক তামা উত্তোলন বাড়বে ৩.৫ শতাংশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক || প্রকাশ: ২০১৯-০৮-০৭ ১১:০২:৫৪ || আপডেট: ২০১৯-০৮-০৭ ১১:০২:৫৪

আগামী কয়েক বছর বৈশ্বিক তামা উত্তোলনে স্থিতিশীল অবস্থা বজায় থাকবে। ২০১৯ থেকে ২০২৮ সাল পর্যন্ত বৈশ্বিক তামা উত্তোলনের গড় প্রবৃদ্ধি হবে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ। এ সময়ের মধ্যে ব্যবহারিক ধাতুটির উত্তোলন ২ কোটি ১৪ লাখ থেকে ২ কোটি ৮৭ লাখ টনে গিয়ে দাঁড়াবে। এছাড়া ২০২৭ সাল পর্যন্ত তামার বৈশ্বিক চাহিদা গড়ে ২ দশমিক ৬ শতাংশ হবে। এ সময় ব্যবহারিক ধাতুটির চাহিদা ২ কোটি ৯৮ লাখ টনে গিয়ে দাঁড়াবে। যেখানে ২০১৮ সালে ধাতুটির বৈশ্বিক চাহিদা ছিল ২ কোটি ৩৬ লাখ টন। বাজার রেটিংস-বিষয়ক প্রতিষ্ঠান ফিচ সলিউশনের করা প্রাক্কলনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। খবর মাইনিংডটকম।

বিশ্বে তামা উত্তোলনে শীর্ষে রয়েছে লাতিন আমেরিকার দেশ চিলি। এ সময় দেশটিতে ব্যবহারিক ধাতুটির উত্তোলন ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। দেশটিতে সরকার নিয়ন্ত্রিত খনিগুলোর উত্তোলন বৃদ্ধি এবং দেশটির প্রেসিডেন্ট সেবাস্টিয়ান পিনেরের ব্যবসাবান্ধব নীতির কারণে দেশটিতে এ সময় তামার উত্তোলন বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

তবে চলতি বছর তামা উত্তোলনের করা প্রাক্কলন থেকে সরে এসেছে দেশটি। এ বছর দেশটিতে ১ দশমিক ৭৫ শতাংশে দাঁড়াবে। নিম্নমানের তামা উত্তোলন, আবহাওয়ার প্রভাব এবং দেশটিতে চলমান শ্রমিক ধর্মঘটের ফলে ধাতুটির উত্তোলনের প্রাক্কলন কমিয়ে এনেছে চিলি।

অন্যদিকে ব্যবহারিক ধাতুটির উত্তোলনে দ্বিতীয় শীর্ষ অবস্থানে থাকা চীন এ সময় উত্তোলনে কিছুটা পিছিয়ে থাকবে। নিম্নমানের ধাতু উত্তোলন হওয়ায় দেশটির অনেক খনি প্রত্যাশা অনুযায়ী লাভ করতে পারছে না। প্রাক্কলন অনুযায়ী, ২০২৭ সাল পর্যন্ত দেশটির তামা উত্তোলনের গড় প্রবৃদ্ধি হবে ৩ দশমিক ১ শতাংশ। এ সময় দেশটির উত্তোলন ৮৮ লাখ থেকে বেড়ে গিয়ে ১ কোটি ১৪ লাখ টনে দাঁড়াবে।

ভারতে এ সময় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তামা উত্তোলনের প্রক্ষেপণ করছে ফিচ। ব্যবহারিক ধাতুটির খরচ কমিয়ে উত্তোলন বৃদ্ধিতে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় উত্তোলন বাড়বে। ২০২৭ সালে দেশটিতে ব্যবহারিক ধাতুর উত্তোলন গড়ে ৭ দশমিক ৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে হবে ১৮ লাখ টন। যেখানে ২০১৮ সালে দেশটির উত্তোলন ৯২৫ কিলো টন।

এছাড়া পেরু, যুক্তরাষ্ট্র ও কঙ্গোসহ অন্যান্য দেশে তামার উত্তোলন স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধির মধ্য দিয়ে যাওয়ার প্রাক্কলন করা হয়েছে।

ফিচের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী কয়েক বছর অনেক তামা প্রকল্প অনলাইনের আওতায় চলে আসবে। যেখানে কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া ব্যবহারিক ধাতুটির অনলাইন বাজারে এখন পর্যন্ত নিজেদের আধিপত্য ধরে রেখেছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ