এলকো ক্যাবলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পাশে থাকার অঙ্গীকার রূপালী ব্যাংকের

ব্যবসা করা মানে যুদ্ধ করা:রূপালী ব্যাংকের এমডি

সান বিডি ডেস্ক || প্রকাশ: ২০১৯-১২-০৫ ২০:৫৯:০৯ || আপডেট: ২০১৯-১২-০৫ ২১:০৭:৫৫

রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ বলেছেন,বাংলাদেশে ব্যবসা করা মানে যুদ্ধ করা। এই যুদ্ধ শুরু হয় কারখানার জমি কেনা থেকে। ফলে অনেক প্রতিষ্ঠান নির্ধারতি সময়ে উৎপাদনে আসতে পারে না। তবে এর ব্যতিক্রম উদাহরণ তৈরি করলো এলকো ওয়্যারস্ এন্ড ক্যাবল লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটি নির্ধারিত সময়েই বাণিজ্যিক উৎপাদনে আসতে পেরেছে। এই জন্য সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে পাশে থাকার অঙ্গী কার করেছেন তিনি।

আজ বৃহস্পতিবার গাজীপুরের শ্রীপুরে এলকো ওয়্যারস্ এন্ড ক্যাবল লিমিটেডের কারখানার বাণিজ্যিক উৎপাদনে প্রধান অতিথির বক্তব্যের সময় এ কথা বলেন।

কোম্পানির চেয়ারম্যান  রানা দেব দাসগুপ্তের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন, রূপলী ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারেক মাহমুদ মতিন,পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ও ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

মো: ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ বলেন, একটি প্রতিষ্ঠান তৈরি করা অনেক কঠিন কাজ। বাংলাদেশে কোন প্রতিষ্ঠান তৈরি করতে হলে যুদ্ধ শুরু হয় জমি কেনা থেকে। প্রায় ১৯টি জায়গা থেকে তাদেরকে নিতে হয় লাইসেন্স। তবে এলকে ক্যাবলের কাজের গতিতে খুশি তিনি।

তিনি বলেন, আপনারা অনেক কম সময়ে প্রতিষ্ঠানটিকে একটি জায়গায় নিয়ে আসতে পেরেছেন। এটি অনেক উদ্যোক্তাদের পক্ষে সম্ভব হয়না। আগামীতে যেন আপনাদের এই গতি চলমান থাকে। অন্যদিকে আমার অবজারভেশন হলো এ যাবতকালে যতগুলো অগ্নিকান্ড হয়েছে তার ৮৫ শতাংশ সট সার্কিট থেকে। পণ্য তৈরি করার সময় এই বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে, যাতে আপনাদের পণ্যের গুণগত মানে কোনো ধরণের সমস্যা না থাকে।

ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারেক মাহমুদ মতিন বলেন, আমাদের প্রধান চ্যালেঞ্জগুলো হলো গুনগতমান ঠিক রাখা এবং সেবার মান ঠিক রাখা। এই বিষয়ে কোনো আপশ না করার অঙ্গীকার করেন তিনি।

পরিচালক কামাল হোসেন মজুমদার বলেন, আমাদের এই প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে ৭৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৩৫ কোটি ৬৭ লাখ টাকা দিয়েছে রূপালী ব্যাংক। বাকী টাকা পরিচালকদের। বর্তমানে প্রতিদিন কপার উৎপাদন করতে পারবো ২৫ মেট্টিক টন এবং অ্যালমুনিয়াম উৎপাদন হবে ১৫ মেট্টিক টন।

কোম্পানির মহাব্যবস্থাপক (বিক্রয় ও বিপনন) বলেন, বর্তমানে আমাদের বাজারের আকার হলো ৭ হাজার ৩০০ কোটি টাকার। আমাদের বিদ্যুতের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। একই সাথে ক্যাবলের চাহিদাও বাড়বে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ