মুদ্রা পাচার রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে এখনই

:: এম এ খালেক || প্রকাশ: ২০১৯-১২-১৯ ১৩:৫৮:০২ || আপডেট: ২০১৯-১২-১৯ ১৪:০৬:১১

আমার এক পরিচিতজন সেদিন প্রসঙ্গক্রমে একটি চমৎকার কথা বললেন। তিনি বললেন, ‘এক সময় ব্রিটিশ বেনিয়া ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি আমাদের দেশ দখল করে নিয়েছিল। তারা এ দেশ থেকে মূল্যবান সম্পদ পাচার করে তাদের দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করেছিল।

আমরা তাদের বিতাড়িত করে স্বাধীনতা অর্জন করলাম ৩০ লাখ মানুষের তাজা রক্তের বিনিময়ে। এখন আমাদের দেশের একশ্রেণির বিবেকহীন স্বার্থান্বেষী মানুষ নিজেরাই আমাদের দেশের সম্পদ (অর্থ) বিদেশিদের হাতে তুলে দিচ্ছে।’

তার এ বক্তব্য যে কোনো বিচারেই উল্লেখের দাবি রাখে। আগে দখলদার ইংরেজরা আমাদের দেশের সম্পদ পাচার করত। আর এখন আমাদের দেশের কিছু মানুষ দেশের সম্পদ পাচার করে বিদেশিদের হাতে তুলে দিচ্ছে।

দেশপ্রেমবিবর্জিত এ ধরনের মুষ্টিমেয় মানুষের কারণে দেশের অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিশ্বব্যাপী মুদ্রা পাচার একটি সাধারণ ঘটনা; কিন্তু বাংলাদেশ থেকে সাম্প্রতিক সময়ে যেভাবে মুদ্রা পাচার বাড়ছে তা কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না।

এ মুদ্রা পাচার সহনীয় মাত্রা অতিক্রম করে গেছে। যারা মুদ্রা পাচারের মতো জঘন্য অপকর্মে নিয়োজিত রয়েছেন, তাদের দেশপ্রেম নিয়ে সংশয় সৃষ্টি হওয়াটাই স্বাভাবিক। কারণ কোনো বিবেকবান ও সুস্থ মানসিকতার মানুষ মুদ্রা পাচারের মতো অপকর্ম করতে পারে না।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রধান চেতনা ছিল দুটি। এর একটি হল সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং দ্বিতীয়টি অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করে একটি সমতাভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা। সমাজে বিত্তবান ও বিত্তহীনের কোনো ব্যবধান থাকবে না এটাই ছিল আমাদের কাম্য। কিন্তু সেই কাক্সিক্ষত সমাজ গঠন থেকে আমরা অনেক দূরে সরে গেছি।

স্বাধীনতা অর্জনের পর বঙ্গবন্ধুর শাসনামলে দেশে বিত্তবান ও বিত্তহীনের ব্যবধান ছিল অনেকটা সহনীয় পর্যায়ে; কিন্তু বর্তমানে সেই ব্যবধান বাড়তে বাড়তে ভয়াবহ পর্যায়ে উপনীত হয়েছে। সমাজে বিত্তবান ও বিত্তহীনের মাঝে বিদ্যমান ব্যবধান বৃদ্ধির প্রধান কারণ হচ্ছে দুর্নীতি এবং অসততার ভয়াবহ বিস্তৃতি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত নির্দেশনায় দেশব্যাপী দুর্নীতিবিরোধী যে অভিযান শুরু হয়েছে, তার মাধ্যমে আমরা সমাজের একটি দুর্নীতিবাজ গোষ্ঠীর মুখোশ উন্মোচন হতে দেখি।

খোদ রাজধানী ঢাকা শহরেই কীভাবে একশ্রেণির মানুষ দুর্নীতির মাধ্যমে শত শত কোটি টাকার সম্পদ অর্জন করেছে তা আমরা জানতে পেরেছি। যেহেতু দুর্নীতির মাধ্যমে উপার্জিত অর্থ দেশে স্বাভাবিকভাবে ব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই, সেহেতু দুর্নীতিবাজরা এই অর্থ দেশের বাইরে পাচার করে থাকে।

কোনো দেশে অর্থনীতিতে মুদ্রা পাচার বেড়ে গেলে বুঝতে হবে দুর্নীতির মাত্রাও বৃদ্ধি পেয়েছে। কেউ কেউ বলে থাকেন, অর্থ পাচার রোধ করা গেলেই দুর্নীতি বন্ধ হবে। আসলে এ বক্তব্য মোটেও বাস্তবসম্মত নয়।

কারণ কেউ অর্থ পাচার করার উদ্দেশ্যে দুর্নীতি করে না। বরং দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ স্থানীয়ভাবে ব্যবহারের সুযোগ থাকে না বলেই তা পাচারের চেষ্টা করে। কাজেই বলা যেতে পারে, দুর্নীতি বন্ধ হলেই অর্থ পাচার কমে আসবে।

কারণ সৎভাবে উপার্জিত অর্থ কেউ পাচার করার প্রয়োজনবোধ করবে না। অথবা দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ যদি ব্যবহারের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করা হয়, তাহলেও মুদ্রা পাচার কমে আসবে।

কাজেই মুদ্রা পাচার বন্ধ করতে হলে প্রথমেই দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে হবে। অথবা দুর্নীতির মাধ্যমে উপার্জিত অর্থ প্রশ্নহীনভাবে ব্যবহারের সুযোগ দিতে হবে। যারা অসৎ উপায়ে অর্থ উপার্জন করে তারা খুবই প্রভাবশালী এবং সব সময় রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকতে পছন্দ করে, যাতে কেউ তাদের কোনো ক্ষতি করতে না পারে।

সাধারণভাবে কালো টাকার মালিকরা প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলার চেষ্টা করে, যাতে সরকার পরিবর্তন হলেও তাদের কেউ কিছু বলতে না পারে। তবে সরকারি দলের আনুকূল্য না পেলে কালো টাকার মালিকদের মাঝেমাঝেই বিড়ম্বনায় পড়তে হয়।

তাই আমাদের দেশে একটি প্রবণতা লক্ষ করা যায়- যখনই কোনো সরকার পরিবর্তন হয় তখন ব্যাপকভাবে মানুষ নতুন ক্ষমতাসীন দলের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করতে থাকে। চিহ্নিত দুর্নীতিবাজ, যারা বুঝতে পারে চেষ্টা করেও নতুন সরকারি দলে তাদের স্থান হবে না, তারা অর্জিত সম্পদ দেশের বাইরে পাচার করার কাজে ব্যস্ত হয়ে ওঠে।

আর যারা রাজনৈতিক ছত্রছায়া থেকে কিছুটা দূরে অবস্থান করে, তারা অর্জিত অবৈধ অর্র্থের নিরাপত্তার কথা ভেবে তা বিদেশে পাচার করে থাকে।

অনেকেই কালো টাকা এবং অপ্রদর্শিত টাকাকে একই অর্থে ব্যবহার করে থাকেন। আসলে এ দুইয়ের মাঝে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। কালো টাকা বলতে এমন অর্থ বা সম্পদকে বোঝায় যা অবৈধভাবে উপার্জিত এবং দেশের ট্যাক্স নেটওয়ার্কের বাইরে থাকে।

আর অপ্রদর্শিত অর্থ হচ্ছে সেই অর্থ বা সম্পদ যা সৎভাবে উপার্জিত; কিন্তু ট্যাক্স নেটওয়ার্কের বাইরে থাকে। অর্থাৎ কালো টাকার মালিকরা একইসঙ্গে দুটি অপরাধ করে। তারা অবৈধভাবে অর্থ উপার্জন করে এবং এর কোনো ট্যাক্স প্রদান করে না।

অন্যদিকে অপ্রদর্শিত অর্থের মালিকরা বৈধভাবে টাকা বা সম্পদ অর্জন করেন; কিন্তু সেই টাকা বা সম্পদের ওপর কোনো ট্যাক্স প্রদান করেন না।

সাধারণত দেশে কোনো ধরনের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা বা অস্থিরতা দেখা দিলে অর্থ পাচার বেড়ে যায়। আমাদের মতো দেশে সাধারণত জাতীয় নির্বাচনের আগে এক ধরনের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হয়।

জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তনের সম্ভাবনা থাকে বলে এ সময় অর্থ পাচার বেড়ে যায়। কারণ অবৈধ উপায়ে অর্জিত অর্থের মালিকরা এ সময় উপার্জিত অর্থ দেশে সংরক্ষণ করতে সাহস পায় না।

মুদ্রা পাচার কিন্তু একতরফা কোনো ইস্যু নয়। যেসব দেশ থেকে মুদ্রা পাচার হয়, সেসব দেশে আবার অন্য দেশ থেকে পাচারকৃত মুদ্রা আসতে পারে। বিষয়টি অনেকটা দুই-ওয়ে ট্রাফিকের মতো।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ফিন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি (জিএফআই) তাদের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বিশ্বব্যাপী মুদ্রা পাচারের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছে। তাদের সেই প্রতিবেদনে বাংলাদেশ থেকে মুদ্রা পাচারের ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠেছে।

তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৫ সালে উন্নয়নশীল দেশগুলো থেকে মোট ৬০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমতুল্য মুদ্রা পাচার হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ থেকে পাচারকৃত অর্থের পরিমাণ ছিল ৫ দশমিক ৯০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

ওই বছর মুদ্রা পাচারের ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল দ্বিতীয়। মুদ্রা পাচারের ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর মধ্যে ভারতের অবস্থান ছিল সবার শীর্ষে। মুদ্রা পাচারের ক্ষেত্রে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ১০০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৪০তম।

বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি অর্থ পাচার হয় সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন ব্যাংকে। ২০১৬ সালে সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমাকৃত অর্থের পরিমাণ ছিল ৬৫০ দশমিক ৪৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রতি মার্কিন ডলার ৮৫ টাকা হিসাবে) সমতুল্য ৫ হাজার ৫৬৬ কোটি টাকা।

সুইজারল্যান্ড ছাড়াও মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য ইত্যাদি দেশেও বাংলাদেশিদের অর্থ পাচারের পরিমাণ বাড়ছে। কানাডার বেগমপাড়া অথবা মালয়েশিয়ায় সেকেন্ড হোম প্রকল্পে বাংলাদেশিদের বিনিয়োগ ক্রমেই বাড়ছে।

এসব দেশের বেশিরভাগেই আগাম অর্থের উৎস সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন করা হয় না। বরং কোনো কোনো দেশে অবৈধ অর্থ পাচারকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে উৎসাহিত করা হয়। যেমন- মালয়েশিয়ায় সেকেন্ড হোম প্রকল্পে কেউ একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করলে তাকে সেদেশের নাগরিকত্ব প্রদান করা হয়।

অর্থ পাচার একমুখী গন্তব্য নয়। অর্থাৎ একটি দেশ থেকে শুধু অর্থ পাচার হবে, কিন্তু অন্য দেশ থেকে পাচারকৃত অর্থ সেদেশে আসবে না এমনটি নয়। বাংলাদেশ থেকে মুদ্রা পাচার যেমন বৃদ্ধি পাচ্ছে, তেমনি অন্য দেশ থেকেও মুদ্রা পাচার হয়ে বাংলাদেশে আসছে।

২০১৫ সালে বাংলাদেশ থেকে ৫ দশমিক ৯০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমতুল্য ৫০১ দশমিক ৫০ বিলিয়ন টাকা পাচার হয়েছে। একই বছর বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকে বাংলাদেশে ২ দশমিক ৮০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমপরিমাণ অর্থ পাচার হয়ে এসেছে।

এক সময় টাকা পাচার করা বলতে বোঝাত নানা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যক্তি বা মহলবিশেষ কর্তৃক নানা উপায়ে নগদ টাকা দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়া। কিন্তু এখন প্রযুক্তির চরম উৎকর্ষের যুগে কেউ আর নগদ টাকা বিদেশে পাচার করার মতো ঝুঁকি নিতে চায় না।

আধুনিক যুগে টাকা পাচারের একটি চমৎকার উপায় হচ্ছে হুন্ডির মাধ্যমে ক্যাশ টান্সফার করা। বাংলাদেশ থেকে কেউ যদি সুইজারল্যান্ডে টাকা পাচার করতে চায়, তাহলে স্থানীয় হুন্ডি ব্যবসায়ীর মাধ্যমে তা সহজেই করতে পারবে।

স্থানীয় হুন্ডি ব্যবসায়ীকে তার কমিশন দিয়ে দিলে তিনি সুইজারল্যান্ডে তার প্রতিপক্ষকে অ্যাডভাইস করে দেবেন। সেই মোতাবেক সুইজারল্যান্ডের হুন্ডি ব্যবসায়ী বাংলাদেশি হুন্ডি প্রেরকের নির্ধারিত প্রতিনিধির কাছে অর্থ হস্তান্তর করবেন।

এটি অত্যন্ত ঝুঁকিমুক্ত একটি পদ্ধতি। ইদানীংকালে মুদ্রা পাচারের সবচেয়ে সহজ ও বহুল ব্যবহৃত পন্থা হচ্ছে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের নামে ক্যাশ টান্সফার করা। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা আমদানিকালে পণ্যের অতিমূল্যায়ন করে দেখাবে। ব্যাংকের মাধ্যমেই তারা টাকা প্রদান করবে।

কোনো একজন বাংলাদেশি ব্যবসায়ী হয়তো চীন থেকে পণ্য আমদানি করবেন। তিনি তার চীনা প্রতিপক্ষের সঙ্গে এ মর্মে সমঝোতায় উপনীত হবেন, তিনি যে পণ্যটি ১০০ মার্কিন ডলার মূল্যে আমদানি করবেন তার মূল্য দেখাতে হবে ১৩০ মার্কিন ডলার।

স্থানীয় আমদানিকারক চীনা ব্যবসায়ী বা রফতানিকারককে ১৩০ মার্কিন ডলার পেমেন্ট করবেন। পরবর্তী সময়ে চীনা রফতানিকারক তার পণ্যের মূল্য বাবদ ১০০ মার্কিন ডলার রেখে অবশিষ্ট মার্কিন ডলার বাংলাদেশি আমদানিকারককে দিয়ে দেবেন।

অন্যদিকে বাংলাদেশি চীনে পণ্য রফতানিকালে উল্টো কাণ্ডটিই করবেন। তিনি ১০০ মার্কিন ডলারের পণ্য রফতানি করলে তার মূল্য দেখাবেন হয়তো ৮০ মার্কিন ডলার। চীনা আমদানিকারক বাংলাদেশি রফতানিকারককে ৮০ মার্কিন ডলার বৈধ পথে পরিশোধ করবেন।

অবশিষ্ট ২০ ডলার অন্য কোনো উপায়ে অবৈধভাবে বাংলাদেশি রফতানিকারককে প্রদান করা হবে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মাধ্যমে অর্থ পাচার জনপ্রিয় পন্থায় পরিণত হয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে ২০০৫ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত সময়ে মোট ৬১ দশমিক ৬৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমতুল্য ৫ লাখ ২৭০ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়েছে। এর মধ্যে ৫৬ দশমিক ৮৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমতুল্য ৪ লাখ ৮৫ হাজার ৫০০ কোটি পাচার হয়েছে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মাধ্যমে।

মুদ্রা পাচার কোনো দেশের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর একটি প্রবণতা। এটি বন্ধ করতে না পারলে দেশের অর্থনীতি নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সরকারের চলমান দুর্নীতিবিরোধী অভিযান সফলভাবে শেষ হলে দুর্নীতি অনেকটাই সহনীয় পর্যায়ে নেমে আসতে পারে।

আর এর ফলে মুদ্রা পাচারের মতো ক্ষতিকর প্রবণতাও কমে আসবে। কাজেই দুর্নীতিবিরোধী অভিযান বন্ধ তো নয়ই, আরও বেগবান করতে হবে। সূত্র: যুগান্তর

এম এ খালেক : অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংকার, অর্থনীতিবিষয়ক কলাম লেখক

(মত-দ্বিমতেপ্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর নিজস্ব। www.sunbd24.com এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের মিল আছেই এমন হবার কোনো কারণ নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে www.sunbd2424.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নেবে না।)

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ