অটোর দৌড়াত্মে চাঁদপুর পৌর এলাকার মানুষ হুমকীর মুখে 

:: রতন কুমার মজুমদার || প্রকাশ: ২০২০-০৫-১৮ ১৫:৪৮:৫৩ || আপডেট: ২০২০-০৫-১৮ ১৫:৫০:৫৮

কোন অবস্থাতেই শহরে অটো চলাচল নিয়ন্ত্রন করা যাচ্ছে না কেন ?
কোন অদৃশ্য শক্তির কারণে চাঁদপুরে অটো চলাচল বন্ধ করা যাচ্ছে না। তা হলে এই শক্তি কি ক্ষমতাধর সেটা নিয়ে কিন্তু জনমনে প্রশ্ন আছে। শুধু প্রশ্ন নয় হতাশাও আছে। চাঁদপুর লকডাউন চলছে। যদি অটোগুলো শহরে চলাচল করে তবে এই লকডাউনের অর্থ কি ? অটোগুলো বন্ধ হলে শহরের মোবিলাইজেশন ৭০% কমে যাবে। আজ শহরে যে পরিমানে অটো চলতে দেখলাম তাতে হতাশ হলাম। আইন সবার জন্য সমান হওয়া উচিত। তাহলে কি সিদ্ধান্ত হয়েছে অটো চলাচল করা যাবে। মানুষ কিন্তু প্রশ্ন তুলে ফেলেছে কেন অটোগুলো বন্ধ করা যাচ্ছে না। যেখানে মানুষ ঘরবন্ধী , মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হচেছ , দোকান , শপিং মল বন্ধ সেখানে অটো চলাচলের কারণ বোধগম্য নয়। এক একটি অটোতে ৫/৬ জন করে যাতায়াত করে। যেখানে সামাজিক দুরত্ব মানা হচেছ না।

চাঁদপুর শহরের লোকসংখ্যা প্রায় ৩ লক্ষের কাছাকাছি। এই লোকগুলো কি ৪০০০ অটোর কাছে জীবন বিপন্ন করবে ? এমন আত্মঘাতি কাজ কোন অবস্থাতেই মানা যায় না। লকডাউন ব্যার্থ করার জন্য কি এই অটো চলাচলই যথেষ্ট নয় ?

প্রথম ৫দিন অটোগুরো নিয়ন্ত্রন করা গেছে। তাহলে এখন পারা যাচ্ছে না কেন ? সেটা কি জানা যাবে ? সেটা জানার অধিকার আমাদের আছে। নতুবা কেন পারা যাচ্ছে না সেটা প্রকাশ করা হোক। এই দিনরাত জেলাপ্রশাসন , পুলিশ প্রশাসন , সেনাবাহিনী , সেচ্ছাসেবকরা কাজ করছে জীবনের ঝুকি নিয়ে সবই বৃথা যাবে এক অটোর কারণে। প্রয়োজন কি ? তাঁদের জীবন বিপন্ন করে চাঁদপুরের মানুষের নিরাপদ রাখার প্রানান্তকর চেষ্টা। মরতে দেন সবাইকে ।

 

লেখকঃ রতন কুমার মজুমদার

অধ্যক্ষ, পুরান বাজার ডিগ্রি কলে,  চাঁদপুর।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ