‘রাজা’র দাম ১৫ লাখ!

সান বিডি ডেস্ক || প্রকাশ: ২০২০-০৭-১২ ১৪:০১:৩৭ || আপডেট: ২০২০-০৭-১২ ১৪:০১:৩৭

ঢাকার দোহার উপজেলার চর লটাখোলা এলাকার সিদ্দিকীয়া দাওয়াখানার স্বত্বাধিকারী হাকিম মো. আব্দুস ছালাম শখের বসে আমেরিকান ব্রাহ্মা জাতের একটি গরু কিনে লালন-পালন শুরু করেন। লাল রঙের গরুটির এখন উচ্চতা প্রায় ৬ ফুট। ওজন ৯০০ কেজি। আকর্ষণীয় এই গরুটি দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছে লোকজন। তাই আব্দুস ছালাম আদর করে গরুটির নাম রেখেছেন ‘রাজা’। আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে রাজার দাম হাঁকা হচ্ছে ১৫ লাখ টাকা।

জানা যায়, প্রায় ৩১ মাস আগে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থেকে আমেরিকান ব্রাহ্মা প্রজাতির গরুটি কিনেছিলেন আব্দুস ছালাম। এরপর আদর-যত্নেই বড় করছেন ষাঁড়টিকে। রাজাকে রাজার মতো বড় করতে পরিশ্রম করছে পরিবারটি। রাজার জন্য বানানো হয়েছে আলাদা শেড। রাখা হয়েছে ২৪ ঘণ্টা ইলেকট্রিক ফ্যানের সুব্যবস্থা। খাবারের ব্যাপারেও আলাদা যত্ন করতে হয় রাজার। প্রতিদিনের খাবার তালিকায় রয়েছে সয়াবিনের খৈল, গম, ভুট্টা, ছোলা, পায়রা, সবুজ ঘাস ও ফল।

‘রাজা’ই আকার, আকৃতি ও ওজনের দিক থেকে উপজেলার সবচাইতে বড় বলে দাবি মালিকের। ব্রাহ্মা গরু রোগ প্রতিরোধী। বাংলাদেশের আবহওয়ায় এই জাতের গরু খুবই মানানসই। এ জাতের গরু সাধারণত ৮০০-১৫০০ কেজি মাংস উৎপাদনে সক্ষম।

আব্দুস ছালাম বলেন, অনেক যত্ন করে আমি আমার রাজাকে আড়াই বছর ধরে লালন-পালন করছি। আমার ইচ্ছা রাজাকে বাড়ি থেকেই বিক্রি করব। যেহেতু করোনার মহামারি চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। তাই কোরবানির হাটে গিয়ে বিক্রির তেমন কোনো ইচ্ছা নেই আমার। তিনি আরো জানান, রাজাকে লালন-পালন করার ক্ষেত্রে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর আমাকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছে। রাজাকে দেখতে ও ক্রয় করতে দোহার-নবাবগঞ্জ ও আশপাশের উপজেলার অনেক ক্রেতাই আসছেন। ব্যাটেবলে মিললেই বিক্রি হয়ে যাবে আব্দুস ছালামের প্রিয় ‘রাজা’।সূত্র:  কালেরকন্ঠ
সানবিডি/ঢাকা/এসএস

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ