দেশ চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের পথে সজীব ওয়াজেদ জয়ের রূপকল্পেই

সান বিডি ডেস্ক || প্রকাশ: ২০২০-০৭-২৭ ২০:৩৫:২৫ || আপডেট: ২০২০-০৭-২৭ ২০:৩৫:৫০

বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের সঠিক রূপকল্পেই বাংলাদেশ ঠিক সময়ে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবে যুক্ত হয়েছে বলেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘। তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাস্তবায়িত হয়েছে ডিজিটাল বাংলাদেশ।’

আজ সোমবার (২৭ জুলাই) সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টার জন্মদিন উপলক্ষে ‘মুজিব থেকে সজীব’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচনকালে তিনি এ কথা বলেন।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান, গ্রন্থটির প্রকাশক জয়ীতা প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী সাংবাদিক ইয়াসিন কবীর জয় ও প্রচ্ছদশিল্পী শাহরিয়ার খান বর্ণ এ সময় বক্তব্য দেন। গ্রন্থটির সম্পাদক কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ ও পদ্মা ব্যাংকের চেয়ারম্যান চৌধুরী নাফিজ সরাফাত অনলাইনে যোগ দেন।

এই অনুষ্ঠানে সজীব ওয়াজেদ জয়কে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র, আমাদের প্রাণপ্রিয় নেত্রী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি, চার চারবার নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫০তম জন্মদিনে আমি তাকে আমাদের সবার পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। তিনি সব শিক্ষার্থীর স্বপ্নের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সাইন্সে মাস্টার্স করা, উচ্চশিক্ষিত। তিনি আমাদের ভবিষ্যৎ নেতা। তার নেতৃত্ব ও সঠিক দিকনির্দেশনা বাংলাদেশের জন্য প্রয়োজন। যেভাবে ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখিয়ে তিনি বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন, ভবিষ্যতেও তিনি বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন।’

প্রধানমন্ত্রীর আইসিটিবিষয়ক অবৈতনিক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকল্পকার, যে ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে বাস্তবে রূপায়িত হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘চতুর্থ শিল্প বিপ্লব অর্থাৎ দেশ-সমাজকে ডিজিটালাইজ করা, রোবটিক্স প্রযুক্তির প্রয়োগে যোগ দেওয়ার জন্যই শেখ হাসিনা ২০০৮ সালে ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নের কথা বলেছিলেন। কারণ, প্রথম তিন শিল্পবিপ্লবে আমরা যুক্ত হতে দেরি করেছি। প্রথম শিল্পবিপ্লব বাষ্পীয় ইঞ্জিন আবিষ্কারের প্রায় ১০০ বছর পর, দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লব বিদ্যুৎ আবিষ্কারের বেশ কয়েক দশক পর এবং তৃতীয় শিল্প বিপ্লব কম্পিউটার আবিষ্কারেরও বেশ পরে আমরা সেটির সাথে যুক্ত হয়েছিলাম।’

‘ডিজিটাল বাংলাদেশের স্লোগান যেখানে আমরা দিয়েছি ২০০৮ সালে, সেখানে ডিজিটাল ভারতের স্লোগান এসেছে ২০১৪ সালে, এমনকি যুক্তরাজ্যও আমাদের কয়েক বছর পর ডিজিটাল দেশ রচনার স্লোগান দিয়েছিল,’ -বলেন তথ্যমন্ত্রী।

‘অর্থাৎ প্রথম তিনটি শিল্পবিপ্লবে আমাদের এই জনপদ পিছিয়ে থাকলেও প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্যপুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের মতো আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন প্রযুক্তিবিদ ও ভবিষ্যৎ দ্রষ্টার কাছ থেকে ধারণা আসার কারণে আমরা ঠিক সময়ে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সাথে বাংলাদেশকে সম্পৃক্ত করতে সক্ষম হয়েছি,’ বলেন ড. হাছান মাহমুদ।

এ সময় তথ্যমন্ত্রী  ‘মুজিব থেকে সজীব’ গ্রন্থের প্রকাশক, সম্পাদক ও প্রচ্ছদ এবং অঙ্গ সজ্জাকারসহ এর সাথে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, জয়ীতা প্রকাশনী দুটি বই প্রকাশ করার মধ্য দিয়ে এই জন্মদিনকে আরও অর্থবহ করেছে বলে আমি মনে করি।

উল্লেখ্য, ১১২ পৃষ্ঠার এ গ্রন্থে দেড় শতাধিক সংবাদচিত্র স্থান পেয়েছে। সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫০তম জন্মদিন উপলক্ষে ‘সজীব ওয়াজেদ জয় : সমৃদ্ধ আগামীর প্রতিচ্ছবি’ শিরোনামে আরও একটি গ্রন্থ প্রকাশ করেছে জয়ীতা প্রকাশনী।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান তার বক্তৃতায় সজীব ওয়াজেদের জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘সজীব ওয়াজেদ জয় যেমন ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কারিগর হিসেবে কাজ করেছেন, তেমনি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তেও একনিষ্ঠভাবে কাজ করে চলেছেন। আমরা তার সাথে রয়েছি।’

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ