শেষ মুহূর্তের আশায় রয়েছেন খামারি-ব্যাপারীরা

সান বিডি ডেস্ক || প্রকাশ: ২০২০-০৭-৩১ ০৯:২৯:৫৬ || আপডেট: ২০২০-০৭-৩১ ০৯:২৯:৫৬

কোরবানির ঈদ উপলক্ষে একটু বেশি লাভের আশায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রাজধানীর হাটগুলোতে পশু নিয়ে আসেন খামারি, ব্যাপারী ও গৃহস্থরা। গত কয়েকদিন তেমন বেচাবিক্রি না হলেও এখন শেষ মুহূর্তের আশায় আছেন তারা।

বাজারে এতদিন কাঙ্ক্ষিত মূল্য না পাওয়ায়, কোনো কোনো ক্ষেত্রে লোকসানে পশু বিক্রি করলেও আজকের দিন কিংবা রাতে আশার আলো দেখবেন— এমনটি মনে করছেন বিক্রেতারা। তারা বলছেন, হাটগুলোতে পশুর সংখ্যা কমে যাচ্ছে। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত যারা পশু নিয়ে বাজারে থাকবেন তারা দুটো পয়সা লাভের মুখ দেখতে পাবেন।

রাজধানীর সবচেয়ে বড় স্থায়ী পশুর হাট গাবতলীতে গত সাতদিন ধরে অবস্থান করছেন কুষ্টিয়া থেকে আশা আল আমীন। তিনি ২২টি গরু নিয়ে হাটে এসেছেন। সাতদিনে ১০টি গরু বিক্রি করেছেন। ১০টি গরুতে লাভ-লোকসান মিলে সমান সমান আছে— বলেন জাগো নিউজকে। ফোনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, ১২টি গরু নিয়ে শেষপর্যন্ত অবস্থান করব। গাবতলীতে এখন গরুর সংখ্যা কম। গত দুদিনে প্রচুর বিক্রি হয়েছে। আজ (শুক্রবার) সারাদিন এবং রাত ছাড়াও ঈদের দিনও (শনিবার) সারাদিন অপেক্ষা করব।

রাজধানীর হাজারীবাগের রাস্তায় বসানো অস্থায়ী গরুর হাটে চুয়াডাঙ্গা থেকে ১৩টি ষাঁড় এনেছেন ইসলাম নামের এক ব্যাপারী। তিনি বলেন, পাঁচদিন হলো হাটে আসা। গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত পাঁচটি বিক্রি হয়েছে। সামান্য কিছু লাভ হয়েছে। বাকি আটটি ষাঁড়ের ওপর এখন ভরসা।

সেছেন রহমান ব্যাপারী। বলেন, করোনা পরিস্থিতির মধ্যে ঝুঁকি নিয়ে বাড়ি বাড়ি ঘুরে পশুগুলো কিনেছি। নয়টি ষাঁড় এনেছি। চারটি বিক্রি হয়েছে। আছে আর পাঁচটি। হাটে এখন পশুর সংখ্যা কম, তেমন আসছেও না। তাই এখনও ভরসা আছে, শেষপর্যন্ত ভাগ্য খুলতে পারে। ঈদের দিন পর্যন্ত আশায় থাকতে তিনিও রাজি।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ