সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের উত্থানের মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন শতকরা ৫৪ দশমিক ৬০ শতাংশ বা ১৯৪টি কোম্পানির দর বেড়েছে। কমেছে ২৯ দশমিক ৯০ শতাংশ বা ১০৬টি কোম্পানির। অপরিবর্তিত রয়েছে ১৫ দশমিক ৫০ শতাংশ বা ৫৫টি কোম্পানির শেয়ার দর।
বাজার বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানা গেছে।
বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দিন শেষে ডিএসইর খাতগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দর বেড়েছে আইটি খাতের। ১০০ শতাংশ অর্থাৎ আইটি খাতের ১০টি কোম্পানিরই দাম বেড়েছে।
দাম বাড়ার তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পেপার অ্যান্ড প্রিন্টিং খাত। এ খাতেরও শতভাগ দাম বেড়েছে।
দাম বাড়ার তালিকায় এরপরেই রয়েছে মিউচুয়াল ফান্ড খাত। এ খাতের দর বেড়েছে ৮৬ দশমিক ৪৯ শতাংশ বা ৩২টি কোম্পানির। দর কমেছে ২ দশমিক ৭০ শতাংশ বা ১ কোম্পানির। অপরিবর্তীত রয়েছে ১০ দশমিক ৮১ শতাংশ বা ৪টি কোম্পনির।
তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছে খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাত। এ খাতের দর বেড়েছে ৭৬ দশমিক ৪৭ শতাংশ বা ১৩ কোম্পানির। অপরিবর্তীত রয়েছে ২৩ দশমিক ৫৩ শতাংশ বা ৪টি কোম্পানির।
এরপরেই রয়েছে সেবা ও আবাসন খাত। এ খাতের দর বেড়েছে ৭৫ শতাংশ বা ৩টি কোম্পানির। আর কমেছে ২৫ শতাংশ বা ১টি কোম্পানির।
দাম বাড়ার তালিকায় ষষ্ঠ স্থানে ওষুধ ও রসায়ন খাত। এ খাতে দর বেড়েছে ৬৮ দশমিক ৭৫ শতাংশ বা ২২টি কোম্পানির। কমেছে ২৫ শতাংশ বা ৮ কোম্পানির। অপরিবর্তীত রয়েছে ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ বা ২ কোম্পানির।
এরপর রয়েছে প্রকৌশল খাত। এ খাতে দর বেড়েছে ৬৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ বা ২৬টি কোম্পানির। কমেছে ২৩ দশমিক ০৮ শতাংশ বা ৯ কোম্পানির। অপরিবর্তীত রয়েছে ১০ দশমিক ২৬ শতাংশ বা ৪ কোম্পানির।
অষ্টম স্থানে রয়েছে চামড়া খাত। এ খাতে দর বেড়েছে ৬৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ বা ৪টি কোম্পানির। কমেছে ৩৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ বা ২ কোম্পানির।
এরপর রয়েছে পেপার অ্যান্ড প্রিন্টিং খাত। এ খাতে দর বেড়েছে ৬৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ বা ২টি কোম্পানির। অপরিবর্তীত রয়েছে ৩৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ ১টি কোম্পানির।
এরপরেই রয়েছে আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাত। এ খাতে দর বেড়েছে ৬৩ দশমিক ৬৬ শতাংশ বা ১৪টি কোম্পানির। কমেছে ১৮ দশমিক ১৮ শতাংশ বা ৪ কোম্পানির। অপরিবর্তীত রয়েছে ১৮ দশমিক ১৮ শতাংশ বা ৪টি কোম্পানির।
তালিকায় একাদশ স্থানে রয়েছে সিরামিক খাত। এ খাতে দর বেড়েছে ৬০ শতাংশ বা ৩টি কোম্পানির। কমেছে ২০ শতাংশ বা ১ কোম্পানির। অপরিবর্তীত রয়েছে ২০ শতাংশ বা ১টি কোম্পানির।
তারপর রয়েছে বিবিধ খাত। এ খাতে দাম বেড়েছে ৫৮ দমমিক ৩৩ শতাংশ বা ৭ কোম্পানির। কমেছে ২৫ শতাংশ বা ৩ কোম্পানির। অপরিবর্তীত রয়েছে ১৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ বা ২ কোম্পানির।
এরপর রয়েছে সিমেন্ট খাত। এ খাতে দর বেড়েছে ৫৭ দশমিক ১৪ শতাংশ বা ৪টি কোম্পানির। কমেছে ২৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ ২ কোম্পানির। অপরিবর্তীত রয়েছে ১৪ দশমিক ২৯ শতাংশ বা ১টি কোম্পানির।
দাম বাড়ার তালিকায় ১৪তম স্থানে রয়েছে টেলিকমিউনেকশন খাত। এ খাতে দর বেড়েছে ৫০ শতাংশ বা ১টি কোম্পানির। কমেছে ৫০ শতাংশ বা ১ কোম্পানির।
এরপর রয়েছে ভ্রমণ ও অবকাশ খাত। এ খাতে দর বেড়েছে ৫০ শতাংশ বা ২টি কোম্পানির। কমেছে ৫০ শতাংশ বা ২ কোম্পানির।
১৬তম স্থানে রয়েছে জ্বালানি ও বিদ্যুৎখাত। এ খাতে দর বেড়েছে ৪৭ দশমিক ৩৭ শতাংশ বা ৯টি কোম্পানির। কমেছে ৩৬ দশমিক ৮৪ শতাংশ ৭ কোম্পানির। অপরিবর্তীত রয়েছে ১৫ দশমিক ৭৯ শতাংশ বা ৩টি কোম্পানির।
তারপর রয়েছে ব্যাংক খাত। এ খাতে দর বেড়েছে ৪৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ বা ১৩টি কোম্পানির। কমেছে ২৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ ৮ কোম্পানির। অপরিবর্তীত রয়েছে ৩০ শতাংশ বা ৯টি কোম্পানির।
১৮তম স্থানে রয়েছে বস্ত্র খাত। এ খাতে দর বেড়েছে ৩৮ দশমিক ৬০ শতাংশ বা ২২টি কোম্পানির। কমেছে ২৪ দশমিক ৫৬ শতাংশ ১৪ কোম্পানির। অপরিবর্তীত রয়েছে ৩৬ দশমিক ৮৪ শতাংশ বা ২১টি কোম্পানির।
তারপর রয়েছে পাট খাত। এ খাতে দর বেড়েছে ৩৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ বা ১টি কোম্পানির। কমেছে ৬৬ দশমিক ৬৬ শতাংশ ৩ কোম্পানির।
তালিকার শেষে রয়েছে বীমা খাত। এ খাতে দর বেড়েছে ১২ দশমিক ৭৭ শতাংশ বা টি কোম্পানির। কমেছে ৮৭ দশমিক ২৩ শতাংশ ৪১ কোম্পানির।