দেশে মহামারি করোনার প্রকোপ চলছে দীর্ঘ সাত মাসের বেশি ধরে।ভয়াবহ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের হার শূন্যের কোটায় নামেনি এখনো তবে আসন্ন শীতকে কেন্দ্র করে এরই মধ্যে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের শঙ্কা জেঁকে বসেছে। এখনই সতর্ক হওয়ার জন্য বারবার তাগিদ দেয়া হচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকেও। এ পরিস্থিতিতে করোনার সম্ভাব্য দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় প্রস্তুতি নিচ্ছেন তৈরি পোশাক খাতের শিল্প মালিকরা।
চলতি ২০২০ চলতি বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হওয়ার পর বড় ধাক্কা লাগে তৈরি পোশাক শিল্পে। সেসময় সংক্রমণ রোধে টানা এক মাস বন্ধ ছিল কারখানা। কারখানা খোলার সতর্কতামূলক নানা পদক্ষেপ নেয়া হলেও এড়ানো যায়নি সংক্রমণ। সরকারি এক সংস্থার তথ্যমতে, মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশের শ্রমঘন শিল্প খাতের শ্রমিকদের মধ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ছয়জন। তাদের মধ্যে চারজনই ছিলেন পোশাক শিল্পের। এ অবস্থায় দ্বিতীয় ঢেউ এলেও যাতে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়, সেজন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন শিল্প মালিকরা।
৫ অক্টোবর সব সদস্যের উদ্দেশে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ। সেখানে বলা হয়, দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের প্রকোপ এখনো চলমান রয়েছে। আসন্ন শীত মৌসুমে এ ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা যাচ্ছে। এমতাবস্থায় আপনাদের কারখানায় কর্মরত কোনো শ্রমিক/কর্মকর্তা/কর্মচারী করোনা রোগী হিসেবে শনাক্ত হলে তাদের রিপোর্ট বিজিএমইএকে অবহিত করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
সানবিডি/এনজে/৮:৩০/১০.১২.২০২০