জ্বালানি তেলের বাজারে মধ্যপ্রাচ্য নির্ভরতা বাড়ার সম্ভা্বনা
সান বিডি ডেস্ক আপডেট: ২০২০-১০-১৯ ১৫:১৮:৫৭

বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের বাজারে বিগত কয়েক বছর ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্য রীতিমতো হুমকি হিসেবে দেখা দিয়েছে অন্যান্য উত্তোলন ও রফতানিকারক দেশগুলোর জন্য। আর জ্বালানি তেলের বৈশ্বিক বাজারে যুক্তরাষ্ট্রের এ আধিপত্য বিস্তারের অন্যতম সহায়ক হলো শেল অয়েল (পাথরের ভাঁজে থাকা জ্বালানি তেল)। কয়েক বছর ধরে দেশটিতে শেল অয়েল উত্তোলন উত্তরোত্তর বাড়ছে। তবে তথ্য বলছে, চলতি ও আগামী বছর দেশটির শেল অয়েল উত্তোলন বড় পরিমাণে কমে যেতে পারে। সেটি হলে জ্বালানি তেলের বাজারে মধ্যপ্রাচ্যের যে নির্ভরতা ছিল সেটি আরো বেশি ঘনীভূত হওয়ার সম্ভাবানা দেখা হবে। খবর সিনহুয়া ও এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল প্ল্যাটস।
জ্বালানি তেলের বাজারে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমাগত হিস্যা বাড়ানোর পেছনে অন্যতম আশীর্বাদ হিসেবে ধরা হয় শেল অয়েলকে। কারণ দেশটিই পৃথিবীর অন্যতম শেল অয়েল উত্তোলন ও সরবরাহকারী দেশ। ফলে শেল অয়েলের ওপর ভর করে দ্রুত বাজার দখল করা যুক্তরাষ্ট্র জ্বালানি তেলের রফতানিকারক দেশগুলোর সংগঠন ওপেকের জন্য বড় মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠেছিল। সে কারণে যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্য ঠেকাতে রাশিয়ার নেতৃত্বে অন্যান্য উত্তোলনকারী দেশ নিয়ে গঠিত হয় ওপেক প্লাস জোট, যার একদিকে রয়েছে সৌদি আরব অন্যদিকে রাশিয়া। যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসীভাবে বাজার দখল থামাতে এবং জ্বালানি পণ্যটির দাম নিয়ন্ত্রণ করতে দীর্ঘদিন ধরে জোটটি উত্তোলন কমিয়ে আসছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র অন্যতম একক দেশ হিসেবে বাজারে সবসময় সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করেছে। সেটি সম্ভব হয়েছে শেল অয়েলের কারণে। এতে ওপেক প্লাস জোটের উত্তোলন হ্রাস আদতে কোনো ফল বয়ে আনেনি। ফলে প্রথাগতভাবে জ্বালানি তেলের বাজার যে মধ্যপ্রাচ্যনির্ভর ছিল সেটিকে প্রশ্নের মুখে ঠেলে দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য চলতি ও আগামী বছর মোটেই ভালো যাবে না বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্টর বিশেজ্ঞরা। কারণ তারা বলছেন, চলতি ও আগামী বছর যুক্তরাষ্ট্রের শেল অয়েল উত্তোলন কমবে। সেটি হলে যুক্তরাষ্ট্রের পরিবর্তে অন্যতম উৎস হিসেবে আরো বেশি মধ্যপ্রাচ্যনির্ভর হয়ে উঠবে জ্বালানি তেলের বাজার।
সানবিডি/এনজে/২:০০/১০.১৯.২০২০







সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













