স্বস্তি নেই সবজি বাজারে
নিজস্ব প্রতিবেদক আপডেট: ২০২০-১০-২৩ ১২:১৯:০১

সপ্তাহের ব্যাবধানে কাঁচা বাজারের দামে তেমন কোন হেরফের হয়নি। চড়া মূল্যেই বিক্রি হচ্ছে সকল প্রকার সবজি। ফলে সবজি বাজারে স্বস্তি পাচ্ছেন না ক্রেতারা।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ভারি বৃষ্টি হয়েছে। এতে কারওয়ান বাজার, যাত্রাবাড়ী আড়তসহ বিভিন্ন পাইকারী বাজারে ক্রেতার সংখ্যা স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে কম ছিলো। ক্রেতা কম থাকলেও দামে তেমন হেরফের হয়নি। বরং অনেক ক্ষেত্রে বৃষ্টির অজুহাতে বেশি দাম রাখা হচ্ছে।
এসব বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ৫০ টাকার নিচে তেমন কোনো সবজিই বিক্রি হচ্ছে না। এদিন কাঁচা পেঁপে ৫০ টাকা, কচু ৬০ টাকা থেকে ৬৫ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।
অন্য সবজির মধ্যে পটল ৮০-১০০ টাকা, ঢেঁড়শ, ফুলকপি ও বাঁধাকপি ৭০-৮০ টাকা, টমেটো ১০০-১২০ টাকা কেজি, বেগুন ৮০-১০০ টাকা কেজি করে বিক্রি হচ্ছে।
কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২০০-২৫০ টাকা কেজি, দেশি পেঁয়াজ ৯০-১০০ টাকা এবং আমদানিকৃত পেঁয়াজ ৭০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। আলুর কেজিও ৫০ টাকার কাছাকাছি। তবে ৫০ টাকার নিচে একমাত্র মিষ্টি কুমড়ো বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বাজারে এ সবজিটি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়।
এদিকে গত সপ্তাহের মতো এখনো শিম, গাজর, বেগুন ও উস্তার কেজি একশ টাকার ঘরে রয়েছে। এর মধ্যে পাকা টমেটো গত কয়েক মাসের মতো এখনো ১২০ থেকে ১৪০ টাকা এবং গাজর ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
তবে শিমের দাম কিছুটা কমে ৮০ থেকে ১১০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে ছিল ১২০ থেকে ১৪০ টাকা। আর শসার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৭০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৯০ থেকে ১০০ টাকা।
বরবটির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৮০ থেকে ১২০ টাকা। দাম অপরিবর্তিত রয়েছে উস্তারও। এক কেজি উস্তা বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়।
দাম অপরিবর্তিত রয়েছে ঝিঙা, কাঁকরোল, ধুন্দুল, কচুর লতি। ঝিঙার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা, কাঁকরোল ৬০ থেকে ৭০ টাকা, একই দামে বিক্রি হচ্ছে কচুর লতি।
লাউয়ের পিস গত সপ্তাহের মতো বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা। এক হালি কাঁচা কলা বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। বাজারে আসা শীতের আগাম সবজি ফুলকপি ও বাঁধাকপির পিস বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৫০ টাকা।
আড়তদাররা বলছেন, বাজারে শাক-সবজির সরবরাহ এখনও অনেক কম। সাধারণত এই মৌসুমে সরবরাহ বাড়ে। তবে এ বছর অতিবৃষ্টি এবং দফায় দফায় বন্যার কারণে সরবরাহ বাড়ছে না। আগামী এক মাসেও এই পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্ভব নয়।
ক্রেতারা বলছেন, বাজারের এই অবস্থা চলতে থাকলে সবজি কেনা অসম্ভব হয়ে পড়বে। না খেয়ে থাকতে হবে স্বল্প আয়ের মানুষদের।







সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













