কাশ্মীরে জাফরান চাষীদের হতাশা
সান বিডি ডেস্ক প্রকাশ: ২০২০-১০-২৮ ১৪:১৯:৫৫

পৃথিবীর স্বর্গখ্যাত কাশ্মীর উপত্যাকায় ১০ বছর আগে শুরু হওয়া ন্যাশনাল স্যাফ্রন (জাফরান) মিশন নিয়ে অনেক আলোচনা ও সম্ভাবনার কথা হলেও এটি কাঙ্ক্ষিত ফল অর্জন করতে পারেনি। পুলওয়ামা জেলার পাম্পোরে উপত্যকার চাষীরা এ মিশন নিয়ে ভীষণভাবে হতাশ।
এই উপত্যাকায় অনেক ধোঁয়াশা নিয়ে ২০১১ সালে ৪০০ কোটি রুপির জাফরান মিশন প্রকল্প শুরু করে ভারত সরকার। লক্ষ্য ছিল উৎপাদন ও মান বৃদ্ধির পাশাপাশি কৃষকের আয় দ্বিগুণ করে দেয়া। এটি ২০১৪ সালে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এখনো সম্পূর্ণরূপে শেষ হয়নি! কৃষকদের উৎপাদন ও আয় না বেড়ে বরং আশা পরিণত হয়েছে হতাশায়। প্রকল্পটি কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি এবং এখন পর্যন্ত কৃষকদের জন্য প্রকল্পটি ক্ষতিকারক হিসেবেই প্রমাণিত হয়েছে।
চাষীরা চরম হতাশ, কেননা মিশনটি শুরুর আগে যে কৃষক মৌসুমে এক কেজি কিংবা ৫০০ গ্রাম জাফরান উৎপাদন করতেন, এখন তার উৎপাদন কমে নেমেছে অর্ধেকে। জাফরান গাছের যে বীজ জমিতে বপন করা হচ্ছে তা ক্ষয়ে যাচ্ছে এবং চাষ ও উৎপাদন পুনরুজ্জীবনের যে আশা করা হয়েছিল তা ব্যর্থতায় রূপ নিয়েছে বলে অভিযোগ চাষীদের।
চাষীরা এখন নিজেদের ভাগ্য এবং এ মিশনকে দায়ী করছেন। অনেক চাষী প্রকাশ্যেই এ মিশন বন্ধের দাবি করছেন। তাদের মতে, মিশনটি গত ১০ বছরে তাদের ভাগ্য পরিবর্তনের মতো তেমন কিছুই করতে পারেনি, বরং তাদের দুর্দশা বয়ে এনেছে।
পাম্পোরের আন্দ্রোসার খ্যাতিমান জাফরান চাষী হাজি আবদুল রশিদ এ মিশনকে ‘ব্যর্থ’ বলে অভিহিত করেছেন। নিজাম আহমেদ নামের আরেক চাষী মিশনের এ সীমাহীন ব্যর্থতার জন্য কৃষি বিভাগকেই দায়ী করলেন। তিনি বলেন, আগে আমার বার্ষিক জাফরান উৎপাদন ছিল ৫০০ গ্রাম, কিন্তু মিশন শুরুর পর তা নেমে আসে ১২৫ গ্রাম কিংবা তারও নিচে।
ডেইলি এক্সেলসিওর ডটকম অবলম্বনে
সানবিডি/এনজে/২:১৯/১০.২৮.২০২০







সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













