
বাংলাদেশে বর্তমানে ই-কমার্স খাতের আকার প্রায় দুইশো কোটি মার্কিন ডলার। বছরে ৫০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হারে এই বাজার বাড়ছে। তবে চলতি ২০২০ সালে বাংলাদেশে ই-কমার্স বাজারের আকার ১৬৬ শতাংশ বেড়েছে।এই ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালের মধ্যে দেশে ই-কমার্স খাতের বাজারের আকার দাঁড়াবে তিনশ কোটি মার্কিন ডলারে।
আজ মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত ‘কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে ই-কমার্স এবং ভোক্তা অধিকার: প্রতিবন্ধকতা ও সুপারিশ’ শীর্ষক এক ওয়েবিনারে বক্তরা এসব কথা বলেন।
এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন কনজুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি গোলাম রহমান। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবির। স্বাগত বক্তব্যে রাখেন ডিসিসিআই সভাপতি শামস মাহমুদ।
বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দিন বলেন, বাংলাদেশে ই-কমার্সের জনপ্রিয়তা প্রতিনিয়ত বাড়ছে, তবে এ ক্ষেত্রে বেশকিছু প্রতরণার উদাহরণ দেখা যাচ্ছে। এসব বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সম্প্রতি টিসিবি অনলাইনে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। এতে করে ভোক্তাদের ভোগান্তি লাঘব করা সম্ভব হয়েছে।
এ সময় বাণিজ্য সচিব বলেন, ডিজিটাল ব্যবসায় অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউটিও সেলের অধীনে একটি পরামর্শক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ব্যবসায় স্বচ্ছতা আনার জন্য ই-কমার্সকে ট্রেড লাইসেন্স অন্তর্ভুক্ত করা হবে, ই-কমার্স পরিচালনা ও অভিযোগ নিষ্পত্তি বিষয়ে নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে। পাশাপাশি অভিযোগ সেল গঠন, ঋণপ্রাপ্তিতে সহায়তা প্রদান, ই-কমার্স ব্যবসার প্রতিবন্ধকতা ও ঝুঁকি চিহ্নিত করে দেশীয় উদ্যোক্তাদের সুরক্ষা, লেনদেনের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং লজিস্টিক সাপোর্টের মতো বিষয়গুলো নিয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সানবিডি/এনজে/৯:৩৫/১১.০৩.২০২০