করোনাকালে মুনাফা বাড়লেও গ্রামীণফোনের নিয়মবহির্ভূত এবং অনৈতিক কর্মী ছাঁটাই নিয়ে নিয়ন্ত্রকসংস্থার হস্তক্ষেপ কামনা করেছে গ্রামীণফোন এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিটিআরসি চেয়ারম্যান জহুরুল হকের সঙ্গে দেখা করে তার কাছে এ বিষয়ে একটি স্বারকলিপি দিয়েছে ইউনিয়ন নেতারা।
স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, ২০১২ সাল থেকে গ্রামীণফোনের আয় ৫ গুণ বাড়লেও কর্মী ছাঁটাই করা হয়েছে প্রায় ৫৫ গুণ। এতে জিপিইইউ মহাসচিব মিয়া মাসুদকে স্বপদে পুনর্বহালের দাবিও জানানো হয়েছে।
গ্রামীণফোন এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফজলুল হকের নেতৃত্বে ৭ সদস্য বিশিষ্ট একটি দল সকালে বিটিআরসির চেয়ারম্যান কে এই স্বারকলিপি প্রদান করেন।
এরআগে গ্রামীণফোনের প্রায় ২০০ সাধারণ কর্মী বিটিআরসির অফিসের সামনে সমবেত হয়। স্বারকলিপি প্রদানের পর অফিসের সামনেই জিপিইইউ এর সাধারণ কর্মীরা মানব বন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করে। মানববন্ধনে বিটিআরসির চেয়ারম্যান এর কাছে স্বারকলিপি জমা দিয়ে রিসিভ কপিটি মানব বন্ধনে সবার সামনে পড়ে শোনান এবং সাংবাদিক ভাইদের উপস্থিতিতে তাদের সহযোগিতা কামনা করেন।
মানব বন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচিতে ফার্মাসিউটিক্যালস এ্যাসোসিয়েশন এর কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি শফিক রহমানসহ পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি দল, উত্তরা ব্যাংক শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন এর সাধারণ সম্পাদক মুতাবেল, মুঠোফোন গ্রাহক এ্যাসোসিয়েশন এর সভাপতি মহিউদ্দিন আলমগীর ও ইউনিগ্লোবাল বাংলাদেশের লিয়াজো কমিটির জেনারেল সেক্রেটারি গোলাম মোস্তফা কামাল সংহতি প্রকাশ করেন।
মানববন্ধন থেকে শনিবারের ৭ নভেম্বর সকাল ১০টার সময় জিপিহাউসের সামনে আবারও মানব বন্ধনের ডাক দিয়ে ধারাবাহিকভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়া হয়।
সানবিডি/নাজমুল/০৩:২৩/০৫.১১.২০২০