শীত মৌসুমেও কমছে এলএনজির দাম
সান বিডি ডেস্ক প্রকাশ: ২০২০-১১-২৫ ১৪:১৭:৪১

প্রতি বছর শীতকালীন সময়ে এশিয়ার বিভিন্ন দেশে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) চাহিদা বেড়ে যায়। বৃদ্ধি পাওয়া চাহিদার চাপ সামলাতে চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়াসহ বেশির ভাগ দেশ এ সময় বাড়তি এলএনজি আমদানি করে। এর জের ধরে বাড়ে জ্বালানি পণ্যটির দামও। চলতি বছর এসব দেশ কিছুটা আগেই এলএনজি আমদানি বাড়িয়ে দিয়েছে। ফলে অক্টোবরের শেষের দিকে এশিয়ার বাজারে জ্বালানি পণ্যটির দাম চাঙ্গা হয়ে উঠেছিল। এর পর থেকে এলএনজির দাম অনেকটাই কমেছে। এ পরিস্থিতিতে বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, শীতকালীন চাহিদা বৃদ্ধির চাপ এরই মধ্যে মোকাবেলা করেছে এলএনজির বাজার। আগামী দিনগুলোয় এশিয়ার বাজারে এলএনজির চাহিদা হয়তো খুব একটা বাড়বে না। দামও থাকতে পারে নাগালের মধ্যে। খবর রয়টার্স ও অয়েলপ্রাইসডটকম।
বর্তমানে জাপান, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া এলএনজির শীর্ষ তিন আমদানিকারক। এসব দেশে যত বেশি শীত পড়ে, জ্বালানি পণ্যটির দাম ততই বাড়তে থাকে। কেননা শীতের আগেই এসব দেশ এলএনজি আমদানি করে রাখে। এবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি। শীত শুরুর আগেই আমদানি বাড়তির পথে থাকায় এশিয়ার বাজারে অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট (২৭ দশমিক শূন্য ৯৬ ঘনমিটার) এলএনজির গড় দাম উঠেছিল ৭ ডলার ৫০ সেন্টে। চলতি বছর এশিয়ার বাজারে এটাই জ্বালানি পণ্যটির সর্বোচ্চ দাম।
২০ নভেম্বর শেষ হওয়া সপ্তাহে এশিয়ার বাজারে প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট এলএনজির গড় দাম ৬ ডলার ৪০ সেন্টে নেমে এসেছে। এর আগের সপ্তাহেও এশিয়ার বাজারে প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট এলএনজির গড় দাম ছিল ৬ ডলার ৮৫ সেন্ট। অর্থাৎ এক সপ্তাহের ব্যবধানে জ্বালানি পণ্যটির গড় দাম কমেছে ৪৫ সেন্ট। আর বছরের সর্বোচ্চ অবস্থান থেকে কমেছে ১ ডলার ১০ সেন্ট।
সানবিডি/এনজে/২:১৬/১১.২৫.২০২০







সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













