
এ বছর শুষ্ক মৌসুমে দেশের নদী-নালা ও হাওর অঞ্চলে পর্যাপ্ত পরিমাণ মিঠা পানির মাছ ধরা পড়েছে। মেঘনা ও তিতাস নদীর তীরবর্তী ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জের লালপুর এবং নাসিরনগর সদরের গাঙ্কুল পাড়ায় শুরু হয়েছে শুঁটকি তৈরির কর্মযজ্ঞ। কর্মব্যস্ত সময় পার করছেন শিল্পের সঙ্গে জড়িত কর্মীরা। তবে করোনার কারণে গত মৌসুমে বিপুল পরিমাণ শুঁটকি অবিক্রিত থাকায় এ বছরের শুঁটকি বিক্রি নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন ব্যবসায়ীরা। অবশ্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে রফতানির ক্ষেত্রে বাধা দূর করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
এ বিষয়ে জানা যায়, এবারও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার মেঘনার তীরবর্তী লালপুর এবং নাসিরনগরের হাওরপাড়ে বাঁশ-বেত দিয়ে তৈরি করা হয়েছে সারি-সারি মাচা। এসব মাচায় শোল, বোয়াল, পুটিসহ বিভিন্ন প্রজাতির মিঠা পানির মাছ শুকিয়ে তৈরি করা হচ্ছে শুঁটকি। লবনবিহীন হওয়ায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া অঞ্চলের শুঁটকি দেশ ছাড়াও ভারতসহ মধ্যপ্রাচ্যে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। তবে করোনার প্রভাবে গত মৌসুমে রফতানির পথ বন্ধ থাকায় অবিক্রিত রয়ে গেছে অন্তত ২০ কোটি টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ শুকনো মাছ।
এর মধ্যে চলতি মৌসুম শুরু হয়েছে গত সেপ্টেম্বর থেকে। তবে বিগত বছরের ক্ষতির চিন্তা করে বসে নেই মাছ শুকানোর কাজে জড়িতরা। তারা বলছেন, ‘রফতানির পথ খোলা না হলেও এনজিওসহ দাদন ব্যবসায়ীদের থেকে চড়া সুদে আনা বিপুল পরিমাণ অর্থ পরিশোধ করতে গিয়ে তাদের কাজে নামতে হয়েছে।
সানবিডি/এনজে/৪:৫১/১১.২৮.২০২০