
দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণের প্রভাবে বছরের শুরুতে পণ্য বিপণন ও সরবরাহে স্থবিরতা নেমে এসেছিল। তবে পরবর্তী সময়ে তা কাটিয়েও উঠেছে বিভিন্ন শিল্প খাত। তবে ভরা মৌসুম হলেও শীতে করোনা সংক্রমণ ফের বাড়তে থাকায় এখনো চা বিপণন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। অন্যদিকে নিলামেও পর্যাপ্ত দাম উঠছে না পণ্যটির। ফলে অনেক বাগান মালিক এখনো উৎপাদন ব্যয়ের চেয়ে কম মূল্যে পণ্য বিক্রিতে বাধ্য হচ্ছেন। এ অবস্থায় চায়ের বিপণন নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।
ব্যবসায়ীরা বলেছেন, দেশে বর্ষা মৌসুমে চা উৎপাদন হলেও পণ্যটি বিপণনের ভরা মৌসুম শীতকাল। চলতি বছরের মাঝামাঝিতে করোনার কারণে দেশব্যাপী সাধারণ ছুটি থাকায় চা দোকান, ফুটপাতের চা স্টল বন্ধ থাকায় চায়ের বিপণন অর্ধেকে নেমে আসে। দেশে সর্বোচ্চ চা বিপণন ফুটপাত ও চা স্টলকেন্দ্রিক হওয়ায় উৎপাদন সত্ত্বেও অর্ধেকে নেমে আসে বিক্রি। চলতি শীতে কভিড-১৯-এর কারণে চায়ের স্টলগুলোর ব্যবসায়িক কার্যক্রম স্তিমিত হয়ে আসায় চা বিপণনে বড় ধরনের সংকট তৈরি হবে বলে আশঙ্কা করছেন চা সংশ্লিষ্টরা।
এ ব্যাপারে বাগান মালিকদের সংগঠনবাংলাদেশীয় চা সংসদের মহাসচিব এম শাহ আলম বলেন, মহামারি করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত খাতের অন্যতম চা উৎপাদন ও বিপণন খাত। উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে দেশের প্রতিটি বাগানকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে হয়। কিন্তু করোনার কারণে এখনো দেশে চায়ের বিপণন কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়নি। ফলে চলতি শীতে ভরা মৌসুমে পর্যাপ্ত বিক্রি না হলে দেশের চা উৎপাদন শিল্প অনেক বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সানবিডি/এনজে/২:৪৭/০৬.১২.২০২০