খালেদা জিয়া বলেন, ‘দেশের এক নাজুক পরিস্থিতিতে আমরা সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি জানাচ্ছি। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পক্ষ থেকে এ দাবি নাকচ করে বলা হয়েছে যে, নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের মতো নাকি পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি।’
তিনি বলেন, ‘পৌরসভা নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করতে ইতোমধ্যে সরকার সকল আয়োজন সম্পন্ন করেছে। তারপরও এই নির্বাচনী যুদ্ধে অবিচল থাকতে হবে।’
নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার নির্বাচনের উপর অশুভ প্রভাব বিস্তারের যে পরিকল্পনা করেছে তা শান্তিপূর্ণ পন্থায় ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াতে হবে।’
সরকার দলের ক্যাডাররা দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিরোধীদলের উপর দমন পীড়ন চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন খালেদা।
অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেই দেশে জঙ্গিবাদের উত্থান হয়েছে। কারণ তারা জঙ্গি দমন না করে দেশের বিরোধীদল দমনে শক্তি প্রয়োগ করছে।’
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, মাহবুবুর রহমান, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, আ স ম হান্নান শাহ্, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, সেলিমা রহমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন, শামসুজ্জামান দুদু এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
২০ দলীয় জোট নেতাদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর আবদুল হালিম, বিজেপির আন্দালিব রহমান পার্থ, জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার, ইসলামি ঐক্যজোটের মজিবুর রহমান পেশোয়ারী, জাগপার শফিউল আলম প্রধান, খন্দকার লুতফর রহমান, এনডিপির খন্দকার গোলাম মূর্তাজা, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, এনপিপির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, মুসলিম লীগের এএইচএম কামরুজ্জামান খাঁন, ন্যাপ গোলাম মোস্তফা ভঁইয়া, কল্যাণ পার্টির এম এম আমিনুর রহমান, ন্যাপ-ভাসানীর আজহারুল ইসলাম, সাম্যবাদী দলের সাঈদ আহমেদ, জমিয়তের উলামে ইসলামের মাওলানা মহিউদ্দিন ইকরাম প্রমূখ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সানবিডি/ঢাকা/এসএস








সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে ফের সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। চেয়ারপারসনের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সোমবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।













