রাজধানী ঢাকায় বসবাসকারী ধনী ও গরীবদের পানির আলাদা দাম নেওয়ার চিন্তা-ভাবনা করছে পানি ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠান ওয়াসা। প্রতিষ্ঠানটির এমডি তাকসিম এ খান মনে করেন,উচ্চবিত্তরা যে দামে পানি পাচ্ছেন, সেই একই দাম দিয়ে নিম্নবিত্তেদের পানি কিনতে হয়— এই বৈষম্য কমানো উচিত।
আজ শনিবার (১৯ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় কারওয়ান বাজার ওয়াসা ভবনে নিম্ন আয় এলাকার আদর্শ গ্রাহকের সম্মাননা স্মারক বিতরণ শীর্ষক অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ওয়াসার এমডি এ কথা বলেন। ঢাকা ওয়াসা, ওয়াটারএইড বাংলাদেশ এবং দুঃস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্র (ডিএসকে) যৌথভাবে দ্বিতীয়বারের মতো এ সম্মাননা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
এ সময় তাকসিম খান বলেন, ‘পানির যা উৎপাদন খরচ তার চেয়ে অনেক কমে দিচ্ছি। বাকিটা সরকার আমাদের দিচ্ছে। দুঃখের বিষয় হচ্ছে, এ সুবিধাটা বড় লোকরাও পাচ্ছে। আমরা সবাইকে এক রেটে কেন পানি দেব! যারা নিম্ন আয়ের তাদের অধিকার আছে। সব শ্রেণির মানুষের জন্য পানির দাম এক হওয়া উচিত না। আমরা চিন্তাভাবনা করছি, এলাকাভিত্তিক পানির দাম নির্ধারণ করব। পানির দাম কমানো হয়ত সম্ভব না। কিন্তু অন্যান্য জায়গায় দাম বাড়বে।’
দেশের পার্বত্য অঞ্চলসহ সর্বত্র বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দেশের সব বড় বড় শহরে সার্ফেজ ওয়াটারের ব্যবস্থা করছি। নদীর পানিকে পরিশোধন করে খাবার ও ব্যবহার উপযোগী করা হচ্ছে। মাটির নিচ থেকে আমরা পানি তুলব না। ২০৩০ সালের মধ্যে সারাদেশের মানুষকে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা হবে।’
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (পানি সরবরাহ অনুবিভাগ) মুহাম্মদ ইব্রাহিম ও ওয়াটারএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর হাসিন জাহান এবং দুস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রের (ডিএসকে) নির্বাহী পরিচালক ডা. দিবালোক সিংহ সহ ঢাকা ওয়াসা, ওয়াটারএইড বাংলাদেশ এবং ডিএসকের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সানবিডি/এনজে/৯:২৫/১৯.১২.২০২০