১১০ কোটি টনে পৌঁছাতে পারে এশিয়ার কয়লার চাহিদা
সান বিডি ডেস্ক আপডেট: ২০২০-১২-২২ ১৪:২৯:৫১

বিশ্বব্যাপী অব্যাহতভাবে বৃদ্ধি পাওয়া জলবায়ু পরিবর্তনের হার কমিয়ে আনার লক্ষ্যে পশ্চিমের উন্নত অর্থনীতির দেশগুলো কয়লার ব্যবহার ধীরে ধীরে কমাচ্ছে। উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে এশিয়ার উন্নয়নশীল অর্থনীতির দেশগুলোয়। ভারত, বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনামসহ এশিয়ার উন্নয়নকামী ও দ্রুতবর্ধনশীল অর্থনীতির দেশগুলো জ্বালানি পণ্যটির ব্যবহার উত্তরোত্তর বাড়িয়ে চলেছে। এ ধারাবাহিকতায় ২০৩০ সাল নাগাদ এশিয়ার বাজারে কয়লার (থার্মাল কোল) সম্মিলিত চাহিদা ১১০ কোটি টনে পৌঁছে যেতে পারে। মিনারেলস কাউন্সিল অব অস্ট্রেলিয়ার (এমসিএ) এক গবেষণায় এ সম্ভাবনার কথা উঠে এসেছে। খবর মাইনিংউইকলিডটকম।
এ বিষয়ে এমসিএর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোয় কয়লার চাহিদা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়ছে। আগামী এক দশকে এশিয়ার দেশগুলোয় জ্বালানি পণ্যটির সম্মিলিত চাহিদা বছরে ২৭ কোটি টন করে বাড়তে পারে। এর মধ্য দিয়ে ২০৩০ সাল নাগাদ এশিয়ার দেশগুলোয় তাপ কয়লার সম্মিলিত চাহিদা ১১০ কোটি টনে উন্নীত হতে পারে।
এশিয়ার দেশগুলোয় তাপ কয়লার চাহিদা বৃদ্ধির পেছনে কয়েকটি কারণ চিহ্নিত করেছে এমসিএ। প্রতিষ্ঠানটির মতে, এশিয়ায় জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বিদ্যুতের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। ফলে দেশে দেশে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র গড়ে তোলা হচ্ছে। বাড়ছে জ্বালানি পণ্যটির চাহিদা। বাড়তি চাহিদার চাপ সামাল দিতে কয়লা আমদানি বাড়াচ্ছে এশিয়ার দেশগুলো। কয়লার বৈশ্বিক বাণিজ্য আগে পশ্চিমের দেশগুলোকে ঘিরে পরিচালিত হতো। বর্তমানে তা পূর্ব প্রান্তে সরে আসতে শুরু করেছে।
সানবিডি/এনজে/২:২৭/২২.১২.২০২০







সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













