বাংলাদেশ বিভিন্ন ধরণের প্রাকৃতিক দূর্যোগের দেশ হিসেবে পরিচিত।দেশটি প্রতিবছর বিভিন্ন ঋতুতে বন্যাবন্যা, খরা, ভাঙন ও সাইক্লোন মোকাবেলা করছে। এই দেশে কখনো কখনো বছরে পাঁচবারও বন্যা হয়। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় বাংলাদেশ এখন মডেল। নতুন আরো একটি পালক যুক্ত হলো। ‘পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগবিষয়ক পরিসংখ্যানে জেন্ডার ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি বিষয়ে তথ্য-উপাত্ত প্রস্তুতকারী এবং ব্যবহারকারীদের জন্য পদ্ধতিগত নির্দেশনা ও নিয়ম-কানুন তৈরি করেছে বাংলাদেশ। বিশ্বে জলবায়ুসংক্রান্ত এ ধরনের প্রটোকল ও গাইডলাইন বাংলাদেশই তৈরি করল।
সোমবার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) মিলনায়তনে ‘পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগবিষয়ক পরিসংখ্যানে জেন্ডার ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি বিষয়ে তথ্য-উপাত্ত প্রস্তুতকারী এবং ব্যবহারকারীদের জন্য পদ্ধতিগত নির্দেশনা ও নিয়ম-কানুন’ বিষয়ক প্রকাশনার সেমিনারে এসব কথা বলেন বক্তারা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী ও বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সেন্টার অ্যাডভান্সড স্টাডিজের নির্বাহী পরিচালক ড. আতিক রহমান।
এ বিষয়ে ড. আতিক রহমান বলেন, বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় কত দ্রুত করতে পারে, তার সক্ষমতা বারবার দেখিয়েছে। এ ধরনের গাইডলাইন তৈরি তারই আরো একটি সক্ষমতা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ একটি মহাদুর্যোগের মধ্যে থাকলেও বাংলাদেশ দুটি মহাদুর্যোগের মধ্যে রয়েছে। কভিড-১৯ ও জলবায়ু পরিবর্তন। বাংলাদেশ সব সময় প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা করছে। অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে। নতুন করে পরিকল্পনা করতে হবে। নতুন পরিকল্পনার জন্য দরকার ডাটা। দুর্যোগ মোকাবেলার বড় উদাহরণ বাংলাদেশ। তবে বাংলাদেশ ক্লাইমেট ইনজাস্টিসের শিকার। ধনী দেশগুলো জলবায়ু পরিবর্তন করছে অথচ বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। যারা পরিবেশের ক্ষতি করছে তারা বিপদে পড়ছে না।
সানবিডি/এনজে/৩:৪৮/২২.১২.২০২০