এশিয়ার বাজারে চালের দামে এখনো চাঙ্গাভাব

সান বিডি ডেস্ক আপডেট: ২০২০-১২-২৬ ১১:৫৩:৩১


চালের বাড়তি রফতানি চাহিদার কারণে এশিয়ার রফতানিকারক দেশগুলোতে চালের দাম আগে থেকেই চাঙ্গা অবস্থায় ছিলো।সর্বশেষ সপ্তাহে তা আরো জোরালো হয়েছে। এ সময় ভারত ও থাইল্যান্ডে খাদ্যপণ্যটির দাম আগের সপ্তাহের তুলনায় বেড়েছে। চালের দাম অপরিবর্তিত ছিল ভিয়েতনামে। তবে পরিবর্তন না হলেও এখনো দেশটির বাজারে তুলনামূলক বেশি রয়েছে খাদ্যপণ্যটির দাম। খবর রয়টার্স ও বিজনেস রেকর্ডার।

বর্তমানে বিশ্বে শীর্ষ চাল রফতানিকারক দেশ হচ্ছে ভারত। সর্বশেষ সপ্তাহে দেশটির বাজারে প্রতি টন রফতানিযোগ্য ৫ শতাংশ ভাঙা চাল ৩৮১-৩৮৭ ডলারে বিক্রি হয়েছে। আগের সপ্তাহে খাদ্যপণ্যটি টনপ্রতি ৩৮০-৩৮৫ ডলারে বিক্রি হয়েছিল। সে হিসাবে এক সপ্তাহের ব্যবধানে ভারতের বাজারে রফতানিযোগ্য চালের দাম টনে সর্বোচ্চ ২ ডলার বেড়েছে।

এই খাতসংশ্লিষ্টরা জানান, ভারতের বাজারে রফতানিযোগ্য চালের এ মূল্যবৃদ্ধিতে প্রভাবক ছিল বাংলাদেশ ও আফ্রিকার দেশগুলোয় বাড়তি চাহিদা। প্রায় তিন বছর পর বাংলাদেশ ভারতের কাছ থেকে দেড় লাখ টন চাল আমদানির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে। চাহিদা বেড়েছে আফ্রিকার দেশগুলোতেও। এর জের ধরে ভারতের বাজারে দীর্ঘমেয়াদে চাঙ্গা রয়েছে রফতানিযোগ্য চালের দাম।

বর্তমানে বিশ্বে চাল রফতানিকারক দেশগুলোর শীর্ষ তালিকায় থাইল্যান্ডের অবস্থান দ্বিতীয়। সর্বশেষ সপ্তাহে দেশটির বাজারে প্রতি টন রফতানিযোগ্য ৫ শতাংশ ভাঙা চাল ৫১৬-৫২০ ডলারে বিক্রি হয়েছে। আগের সপ্তাহে খাদ্যপণ্যটি টনপ্রতি ৫০০-৫১৯ ডলারে বিক্রি হয়েছিল। গত জুনের মাঝামাঝি সময়ের পর এটাই থাই চালের সর্বোচ্চ দাম।

সানবিডি/এনজে