

পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত ডেল্টা লাইফের কাছে ৫০ লাখ টাকা ঘুষ দাবীর অভিযোগ রয়েছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) চেয়ারম্যান ড. মোশাররফ হোসেন। ঘুষ দাবীর একটি কথোপকথনের রেকর্ড ভাইরাল হয়েছে। এর ভিত্তিতে একটি অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান বরাবর। তবে এটি সত্য নয় বলে দাবী করেছে প্রশাসক।
আইডিআরএ গত ১১ ফেব্রুয়ারি বহুল আলোচিত কোম্পানিটিতে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)। সংস্থাটির সাবেক সদস্য (লাইফ) সুলতান-উল-আবেদীন মোল্লাকে প্রশাসক পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। নিয়োগ পাওয়ার পর অভিযোগ যাচাই করার জন্য তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি করে দেন প্রশাসক।
পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি ও কোম্পানিটির মানব সম্পদ বিভাগের প্রধান চৌধুরী কামরুল আহসানকে আহবায়ক করে চার সদস্যের কমিটি করা হয়। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন কোম্পানির ডিএমডি মঞ্জুর মাওলা, উত্তম কুমার সাধু এফসিএমএ,এফসিএস ও সদস্য সচিব ছিলেন মাহবুবুল আলম খান।
পুঁজিবাজারের সব খবর পেতে জয়েন করুন
Sunbd News–ক্যাপিটাল নিউজ–ক্যাপিটাল ভিউজ–স্টক নিউজ-শেয়ারবাজারের খবরা-খবর
কমিটি অভিযোগকারী পল্লব ভৌমিকের সাথে কথা বলেন। ভৌমিক চাকুরি হারানোর ভয়ে দুদকে অভিযোগ দাখিল কারি। কমিটির প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে অভিযোগটি প্রত্যাহার করার নির্দেশ দেয় প্রশাসক সুলতান-উল-আবেদীন মোল্লা।
পল্লব ভৌমিকের কাছে ডেল্টা লাইফের প্রশাসক সুলতানুল আবেদীন মোল্লা স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, ডেল্টা লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানি পর্ষদ সভায় বিবিধ এজেন্ডার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আপনাকে আইডিআরএ চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে ৫০ লাখ টাকার উৎকোচ (ঘুষ) দাবির অসত্য ও বানোয়াট অভিযোগ দিয়ে হয়রানি করার জন্য আপনাকে দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান বরাবর অভিযোগ দাখিলের দায়িত্ব পালন করতে বলা হয়েছিল। ভীত ও বিভ্রান্ত হয়ে আপনি তা দাখিল করেছিলেন। আপনার দাখিলকৃত অভিযোগ প্রত্যাহার করবার জন্য এ সংক্রান্ত বিশেষ কমিটির সুপারিশে ডেল্টা লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানির পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হল।
ডেল্টা লাইফের প্রশাসক সুলতানুল আবেদীন মোল্লা সানবিডিকে বলেন, আইডিআরএ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট একটি অভিযোগ দুদকে দাখিল করেছে পল্লব ভৌমিক। গঠিত তদন্ত কমিটির কাছে এই কথা স্বীকার করেছে পল্লব। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে আমি তা প্রত্যাহার করার জন্য বলেছি।
আইন অনুযায়ী আপনি এটি করতে পারেন কী না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বর্তমানে কোম্পানিটির কোন পর্ষদ নেই। প্রশাসক হিসেবে আমি কাজটি করতে পারি। অন্যদিকে আমি সরাসরি কাজটি করিনি। কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী আমি মিথ্যা অভিযোগটি প্রত্যাহার করার কথা বলছি।