দেশে চলমান সেচ মৌসুম সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে বাংলাদেশ তেল, গ্যাস, খনিজ সম্পদ করপোরেশন পেট্রোবাংলাকে। সেই সঙ্গে শুরু হচ্ছে গ্রীষ্মকাল। প্রাকৃতিক গ্যাস কমে যাওয়ায় যে চড়া দামে সরকার এলএনজি ( তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) আমদানি করছে তাও কম সরবরাহ হচ্ছে গ্রিডে। স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে ২০০ মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি কম যাচ্ছে।
রাজধানীসহ আবাসিক ও শিল্পকারখানায় এবার সরবরাহ বড় ধরণের ঘাটতির কারণে গ্যাস সংকট শুরু হয়েছে। এ সংকট তীব্রতর হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এদিকে এলএনজি আমদানির জন্য অর্থ বিভাগে টাকা চেয়ে পাচ্ছে না পেট্রোবাংলা। এ তথ্য সংশ্লিষ্ট সূত্রের।
এ ব্যাপারে পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, এলএনজির দুইটি ভাসমান টার্মিনালের কাজ পরিচালনার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে অর্থ বিভাগের কাছে গত ২০ জানুয়ারি চিঠি দিয়ে ১ হাজার ৯৪ কোটি টাকা চায় পেট্রোবাংলা। এ বিষয়ে জ্বালানি বিভাগের সহযোগিতা নেওয়া হলেও অর্থ বিভাগ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি বলে পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে।
জানা যায় , বর্তমানে দেশে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জি ও দেশীয় বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সেমিটিক গ্রুপের দুইটি এলএনজি টার্মিনাল রয়েছে।
পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা যায়, আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য বৃদ্ধির কারণে গত কয়েকমাস ধরে এলএনজি আমদানিতে অর্থ যোগানো ঘাটতি রয়েছে। সম্প্রতি জ্বালানি বিভাগে অনুষ্ঠিত বৈঠকে পেট্রোবাংলার সক্ষমতার অপ্রতুলতা তুলে ধরেছেন কর্মকর্তারা। তারা বলছেন, এলএনজি আমদানিতে যে সক্ষমতা থাকা দরকার বর্তমানে পেট্রোবাংলার তা নেই। ভবিষ্যতে এই তরলীকৃত জ্বালানির সরবরাহ বাড়াতে কোনো উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহ হবে তা জানেন না তারা। এই প্রেক্ষাপটে অর্থ বিভাগের কাছে টাকা চেয়ে গত ২০ জানুয়ারি চিঠি দেয় পেট্রোবাংলা। এ প্রসঙ্গে অর্থ বিভাগে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
সানবিডি/এনজে