* শীত পড়ার পর থেকে শিশুকে প্রতিদিন যে গোসল করাতে হবে, তা নয়—এক দিন পরপর গোসল করালেও হয়। জন্মের পর এক মাস পর্যন্ত সপ্তাহে দুই দিন গোসল করালেই চলবে।
* শিশুদের গোসল করানোর আগে ঘরের তাপমাত্রা ২৫ থেকে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রাখতে হবে। বাথরুমে ঠান্ডা একটু বেশি থাকে। তাই খুব ছোট শিশুদের বরং শোবার বা অন্য ঘরে দরজা-জানালা বন্ধ করে বাথটাব বা কোনো গামলায় গোসল করান। গোসলের জন্য আগে থেকেই বাথটাবে হালকা গরম পানি তৈরি রাখুন। বারবার হাত ডুবিয়ে দেখে নিন, পানি সঠিক তাপমাত্রায় আছে কি না।
* শিশুর জন্য বিশেষভাবে তৈরি কম ক্ষারযুক্ত সাবান, শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। সাবানের পিএইচ মাত্রা সাতের নিচে থাকলেই ভালো। গোসলের সময় খেয়াল রাখবেন নাকে-কানে যেন পানি না ঢোকে।
* শিশুদের ক্ষেত্রে দ্রুত গোসল শেষ করে শরীরটা ভালো করে মুছে জামাকাপড় পরিয়ে দেবেন। চুল ভালো করে মুছবেন, যেন পানি লেগে না থাকে।
* টাওয়েল বা পোশাক আগে থেকে হাতের কাছে রাখবেন। গোসল করানোর পর যেন এসব খুঁজতে না হয়। শিশুদের গোসল করানো শেষে বাথটাব থেকে উঠিয়ে নেওয়ার সময় হাতে সাবান বা শ্যাম্পু লেগে থাকলে হাত পিছলে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
* গরম পানি দিয়ে গোসল করানোর পর শিশুর ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে যায়। তাই গোসলের পর ভালো মানের লোশন বা ক্রিম লাগাতে ভুলবেন না যেন। তেলও ব্যবহার করা যায়।
সানবিডি/ঢাকা/এসএস








সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
এই শীতে শিশুদের গোসল করাতে রীতিমতো ভয়ই লাগে! কখন ঠান্ডা লেগে যাবে, হবে সর্দি-জ্বর। আসলে কিন্তু ঠান্ডার কারণে কেবল বাচ্চাদের সর্দি-জ্বর হয় না, বিভিন্ন ভাইরাস ও জীবাণুর আক্রমণের কারণে তা হয়। আর এমন সমস্যা শীতে বাড়ে। এসব জীবাণু থেকে রক্ষা পেতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। তবে শীতকালে শিশুদের গোসল করানোর সময় খানিকটা সতর্কতা অবলম্বন করতেই হবে।













