

নরসিংদীতে তিতাস কমিউটার ট্রেনের ইঞ্জিন লাইনচ্যুতের ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনার পর ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেটসহ পাঁচ রুটে রেল চলাচল সাময়িক বন্ধ থাকে। তবে পরে বিকল্প পথে রেল চলাচল শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে।
নিহতের নাম বাবুল মিয়া (৩০)। তার বাড়ি রায়পুরা উপজেলার হাইড়মারা গ্রামে।
স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে রেল স্টেশনের পূর্বপাশে আরশিনগরে টঙ্গী-ভৈরব নতুন লাইনের ৪নং লাইনে ইঞ্জিনটি লাইনচ্যুত হয়। এ ঘটনার পর অফিস কক্ষে তালা লাগিয়ে স্টেশন ছেড়ে পালিয়ে যান কর্মরত স্টেশন মাস্টার ও অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
তারা আরও জানান, ইঞ্জিনের আশেপাশে পায়ের ও হাতের কাটা অংশ পাওয়া গেলেও কোনো আহত ব্যক্তিকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে ইঞ্জিনের ভেতরে ও নিচে মানুষ আটকা পড়ে রয়েছে— এমন ধারণা তাদের।
পুলিশ জানায়, ফায়ার সার্ভিস বা উদ্ধারকারী ট্রেন না আসলে ইঞ্জিনটি উদ্ধার করা সম্ভব হবে না।
ওই ঘটনার পর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পালিয়ে যাওয়ায় ঠিক কী কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে তা জানা যায়নি। তবে প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই নতুন লাইন দিয়ে বৃহস্পতিবার থেকে রেল চলাচল করছে। এ কারণে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
নরসিংদী সদর থানার পরিদর্শক কে এম আবুল কাশেম জানান, দুর্ঘটনার কারণ সঠিকভাবে বলা যাচ্ছে না। দুর্ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া আহতদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।