
মহামারী করোনার কারণে স্থগিত হওয়া প্রথম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন, জাতীয় সংসদের উপনির্বাচন ও স্থানীয় সরকারের কিছু নির্বাচনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত আসতে পারে আগামীকাল।
এদিন বৈঠকে বসছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। স্বল্প পরিসরে অনুষ্ঠেয় এই বৈঠকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) নূরুল হুদা, চার নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিব ও অতিরিক্ত সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকতে পারেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের টেলিফোনের মাধ্যমে সভায় অংশ নিতে বলা হয়েছে। চলাফেরার বিধিনিষেধের মধ্যে অনলাইনে বৈঠক হলেও এবার ঢাকার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সশরীরে উপস্থিত থাকবেন তারা।
এ বিষয়ে ইসির যুগ্ম-সচিব এসএম আসাদুজ্জামান আরজু বলেন, এর আগে অনলাইন সভা হয়েছে। এবার সশরীরে স্বল্প পরিসরে বৈঠকে বসবেন তারা। আর সভার জন্য কোনো বিষয় নির্ধারণ করা হয়নি। সভায় কমিশনের কার্যক্রমের হালনাগাদ তথ্য জানানো হতে পারে।
ইসি সূত্র জানায়, মৃত্যুজনিত কারণে এখন তিনটি সংসদীয় আসন শূন্য রয়েছে। এগুলো হলো সিলেট-৩, ঢাকা-১৪ ও কুমিল্লা-৫।
কোনো সংসদীয় আসন শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে দৈব-দুর্বিপাকের কারণে আরও ৯০ দিন পেছানোর বিধানও আছে সংবিধানে।
আর করোনা মহামারির কারণে সিলেট-৩ আসনে ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন হচ্ছে না। নির্বাচন কমিশন সচিব মো. হুমায়ুন কবির খোন্দকার এ ব্যাপারে প্রজ্ঞাপন জারি করেছেন। তাই এই আসনে ৮ জুনের মধ্যে না হয়ে ৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্বাচন শেষ করবে ইসি।
এছাড়া অন্য দুই সংসদীয় আসন সম্পর্কে এখনও কোনো কিছু জানায়নি ইসি। এসব শূন্য আসনে উপনির্বাচন ছাড়াও বৈঠকে অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে স্থগিত হওয়া বিভিন্ন নির্বাচনের বিষয়েও নির্দেশনা আসতে পারে।