
চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে উইঘুরদের ওপর মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং গণহত্যার তদন্তকারী একটি স্বাধীন প্যানেল বর্তমানে যুক্তরাজ্যের লন্ডনের চার্চ হাউসে নির্যাতন ও গণধর্ষণের সাক্ষ্য শুনছে। যুক্তরাজ্য ভিত্তিক ৯ জন জুরিয়ারের অধীনে চারদিনের এই শুনানি গত ৪ জুন থেকে শুরু হয়েছে এবং চলবে ৭ জুন পর্যন্ত। বার্তা সংস্থা এএনআইয়ের বরাত দিয়ে খবর প্রকাশ করেছে ইয়াহু নিউজ।
শুনানির দ্বিতীয় দিনে বিভিন্ন জ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞরা উইঘুরে বাধ্যতামূলক শ্রমের বিষয়ে তাদের গবেষণার ফলাফলগুলো শেয়ার করেছেন। এ ছাড়া শিশুদের বিচ্ছেদ ও জোরপূর্বক জন্ম নিয়ন্ত্রণ, নির্যাতন ও যৌন সহিংসতা, সংস্কৃতি ধ্বংস এবং ধর্মীয় অনুশীলন ও ঐতিহাসিক স্থাপনা ধ্বংসের গবেষণা ফলাফলগুলোও শেয়ার করেন।
গত শুক্রবার আন্তর্জাতিক বিষয়গুলোর অনুশীলনে সহযোগী অধ্যাপক ড. শান রবার্টস চীনা কমিউনিস্ট পার্টির (সিসিপি) সন্ত্রাসবিরোধী বিবরণ এবং সাক্ষীদের করা অভিযোগের সঙ্গে এটি কীভাবে সম্পর্কিত তার অন্তর্দৃষ্টি তুলে ধরেছেন।
তিনি বলেন, জিনজিয়াংয়ের উইঘুর স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে ২০১৭ সালের পর থেকে সাংস্কৃতিক গণহত্যার অংশ হিসেবে উইঘুর এবং অন্যান্য তুর্কি মুসলিম জনগণের ওপর কী ঘটছে এবং তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপের প্রেক্ষাপট কী, উভয়ই আমার বিশ্লেষণ থেকে উদ্ভূত করা হয়েছে।
তারা (চীন) একটি জটিল নীতি গঠন করেছে, যা উইঘুরদের জাতীয়তাবোধকে ধ্বংস করে দিচ্ছে, যোগ করেন অধ্যাপক ড. শান রবার্টস।
বৃহস্পতিবার লন্ডন ভিত্তিক প্যানেলটিকে অস্বীকার করে চীনের পররাষ্টু্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন বলেন, তথাকথিত উইঘুর ট্রাইব্যুনাল বৈধ বা বিশ্বাসযোগ্য নয়। এটি কেবল কয়েকজন ব্যক্তির দ্বারা চীন বিরোধী প্রহসনের আরো একটি কার্যক্রম।
সানবিডি/এএ