

তিনি ইরনা বার্তা সংস্থার এক কর্মীকে জানিয়েছেন, আগামী ২০ মার্চের আগেই এই বিমানের প্রথম কিস্তি ইরানে এসে পৌঁছাবে। তবে এ সময়ের মধ্যে কতটি বিমান দেশে আসবে তা নিয়ে উল্লেখ করেননি তিনি।
ইরান জানিয়েছে, আগামী এক দশকে আরও ৪০০টি যাত্রীবাহী বিমান কেনার পরিকল্পনা আছে তাদের। তবে ইউরোপের ওই এয়ারবাস বিষয়টি নিশ্চিত করেনি। তারা বলছে, অবরোধ উঠেছে; তবে পরমাণু চুক্তি এখনো বাস্তবায়নাধীন আছে।
এক বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এয়ারবাস গ্রুপ ইরানের বিমান ও যোগাযোগ খাত উন্নয়নে যেকোনো সহায়তা করতে প্রস্তুত। তবে আন্তর্জাতিকভিত্তিতে বিষয়টি মূল্যায়ন করা হবে।
জাতিসংঘের আণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ) থেকে গতকাল শনিবার জানানো হয়, পরমাণু চুক্তির শর্তাবলী পূরণ করেছে ইরান। এরপরই বহুল প্রত্যাশিত সবুজ সংকেত দেখানো হলো ইরানকে। চুক্তি অনুযায়ী ইরানের ওপর চলতি থাকা আন্তর্জাতিক অবরোধ থেকেই প্রত্যাহার করা হয়েছে।