
বর্তমানে বিশ্বে পাম অয়েল উৎপাদন ও রফতানিতে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মালয়েশিয়া। তবে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে মাসের মধ্যে দেশটির পাম অয়েল উৎপাদন আগের বছরের তুলনায় ৬ শতাংশ কমেছে। মালয়েশিয়ান পাম অয়েল বোর্ডের (এমপিওবি) গত সপ্তাহে প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে এমনটা জানানো হয়েছে। তা সত্ত্বেও চলতি বছরের জুলাইয়ে অপরিশোধিত পাম অয়েল (সিপিও) রফতানিতে ৮ শতাংশ কর ধার্য করেছে মালয়েশিয়া। খবর ব্লুমবার্গ ও বারনামা।
মহামারি করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণে বছরের শুরুতেই শ্রমিক সংকটে পড়ে মালয়েশিয়া। এতে বিশ্বের শীর্ষ কোকিং অয়েলের ভোক্তা দেশটির উৎপাদন কমে যায়। কভিডের কারণে দেশটির চলমান লকডাউনের সময়সীমা ২৮ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। ফলে দেশটির অনেক শিল্প-কারখানা বন্ধ রাখা এবং নতুন কোনো শ্রমিক নিয়োগ বন্ধ থাকায় তা দেশটির সামগ্রিক উৎপাদনে প্রভাব ফেলেছে।
সানবিডি/এনজে