

নড়াইল জেলা প্রশাসন, পুলিশ সুপার ও গোয়েন্দাসহ বিভিন্ন সংস্থা থাকা সত্বেও লোহাগড়া উপজেলার লাহুড়িয়া ও শেষ পান্তে কালিশংকরপুর গ্রামে বছর ব্যপী যাত্রার নামে নগ্ন নৃত্য ও জুয়ার আসর বীরদর্পে চলেই যাচ্ছে। শব্দ দূষণের ফলে ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়ায় মননিবেস বাধাগ্রস্থ হচ্ছে।
বইখাতা রেখে উঠতি বয়সের ছেলেরা জুয়া ও নগ্ন নৃত্যের দিকে ঝুকে পড়েছে। অভিভাকরা হতাসাগ্রস্থ হচ্ছে। অথচ প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধি ওই জুয়ার আসর থেকে মাসহারা ভোগ করছে। গ্রামবাংলার ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতি যাত্রা পালার অন্তরালে চালিয়ে যাচ্ছে জুয়ার আসর ও নগ্ন নৃত্য। আর জুয়াড়ীরা হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা নিঃস্ব হচ্ছে সাধারণ মানুষেরা। ফলে চরম বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়ে পড়েছে স্থানীয় যুবসমাজ ও শিক্ষার্থীরা।
শব্দ দুষন ও পরিবেশ দুষন প্রশাসন সহ কারো এস এস সি পরীক্ষা ও উঠতি ছেলে মেয়েদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবছেনা। যে যার মত অর্থ বাণিজ্যে মগ্ন। প্রশাসন কে বার বার এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়ার কথা বললে তারা জুয়া কমিটির সাথে দফারফা করে তাদের ঘুষ বাণিজ্য বাড়াচ্ছে। সচেতন মহল নিরব দর্শকের ভুমিকা পালন করছে।
প্রধান মন্ত্রী দেশ ও মানব সম্পদ উন্নয়নের নির্দেশ কে বৃদ্ধাঙ্গী প্রর্দশন করছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আরো সামাজিক অবক্ষয়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছে প্রশাসন ও জুয়া কমিটি। লোহাগড়া উপজেলায় যাত্রার নামে নগ্ন নৃত্য ও জমজমাট জুয়ার আসর সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর ও উদ্ধতন কর্তপক্ষ নিরব ভুমিকা পালন করছে। প্রশাসন মেলার অনুমতি দেয় কিন্তু মেলায় কি চলে তা জানলে ও কোন পদক্ষেপ নেয় না। ভুক্ত ভোগী অভিভাবকরা এর নিরাশনের জন্য প্রধান মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
সানবিডি/ঢাকা/খায়রুল/এসএস