

যৌন হামলা থেকে বাঁচতে ইতালির এক নারী ‘যৌনবন্ধনী’ পরেছিলেন তার কোমরের নিচে। বিপত্তি ঘটে এর পরেই। কারণ চাবি হারিয়ে ফেলেছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত সেই তালা ভাঙতে দমকল বাহিনীকে খবর দিতে বাধ্য হন মধ্যবয়সি ওই নারী।
বুধবার দেশটির ভিনিতো অঞ্চলের পাদুয়া শহরে এ ঘটনা ঘটে। রোববার স্থানীয় দৈনিক লা ম্যাত্তিনো ডি পাদুভার বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফ অনলাইন এ তথ্য জানিয়েছে। মধ্যযুগে উদ্ভাবিত চ্যাসটিটি বেল্ট বা যৌনবন্ধনী মূলত নারীদের যৌন হামলা থেকে রক্ষা করতে পরানো হতো।
স্বামীর দীর্ঘ অনুপস্থিতিতে সতীত্ব রক্ষার পরীক্ষা দিতে অনেক নারী আবার স্বেচ্ছায় এই বন্ধনী পরতেন এবং চাবি স্বামীর কাছে হস্তান্তর করতেন। সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, ওই নারী একটি ইস্পাতের যৌনবন্ধনী পরেছিলেন।
বুধবার সকালে তিনি সান ফিদেনজিওর দমকল বাহিনীর কর্মীদের জানান, তিনি বন্ধনীর চাবি হারিয়ে ফেলেছেন। এটি তিনি খুলতে পারছেন না। পরে দমকল বাহিনীর কর্মীদের চেষ্টায় তালাটি খোলা সম্ভব হয়।
এ সময় ওই নারী ও দমকল বাহিনীর কর্মীদের বেশ বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়। এ ঘটনার পর দমকল বাহিনীর কর্মীরা তদন্ত করে জানার চেষ্টা করেন ওই নারীকে জোর করে এই বন্ধনী পরানো হয়েছে, নাকি তিনি পারিবারিক সহিংসতার শিকার। তবে ওই নারী জানিয়েছেন, জবরদস্তিমূলক যৌন সম্পর্ক থেকে বাঁচতে তিনি স্বেচ্ছায় এই বন্ধনী পরেছেন।
সানবিডি/ঢাকা/এসএস