
এ এক অপূর্ব আনন্দ মেলা। গণভবন চত্বরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাড়িতে পিঠা-পুলির দাওয়াত খেতে এসেছেন অনেক মানুষ। তাদের কেউ শিক্ষক, কেউ সাংবাদিক, কেউ সাহিত্যিক, কেউ সাংস্কৃতিক কর্মী। এমন কয়েক শ’ বিশিষ্ট ব্যক্তি এই উঠানে জমজমাট পিঠা উৎসব ও মেলায় অংশ নিয়েছেন।
ঘাসের চত্বরে এক দিকে প্যান্ডেল, অন্যদিকে ছোট্ট মঞ্চ সেজেছে। সেখানে চলছে নানা পরিবেশনা। কেউ গাইছেন, কেউ নাচ করছেন, কেউ বা করছেন কবিতা আবৃত্তি।
প্যান্ডেলে বসেছেন বিশিষ্টজনরা। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ধুলার ওপর আসন পেতে শতরঞ্জিতে বসেছেন একদম মঞ্চের সামনে। তার পাশে ছোট বোন শেখ রেহানা ছাড়াও রয়েছেন অন্য অনেকে। সবার সঙ্গে আড্ডা জমিয়ে অনুষ্ঠান উপভোগ করছেন প্রধানমন্ত্রী।
বিভিন্ন পেশাজীবীর জন্য প্রতিবারের মতো এবারও পিঠা উৎসবের আয়োজন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার (১৮ জানুয়ারি) বিকেলে প্রধানমন্ত্রী বাসভবন গণভবনে এ আয়োজন করা হয়। এতে উপস্থিত আছেন বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। তার আগে প্রধানমন্ত্রী ঘুরে ঘুরে সবার সঙ্গে কুশল ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
‘ও ধান ভানিরে ঢেঁকিতে পাড় দিয়া’ গানটির মধ্য দিয়ে ছোটদের নৃত্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। নৃত্যের পরিচালনা করেন মুনমুন আহমেদ। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদের মেয়ে রাইসা আহমেদ সেরা এরপরে গান গেয়েছেন। তিনি গান ‘আঁখি জল’ গানটি। অপূর্ব দত্তের লেখা কবিতা ‘বাংলা-টাংলা’ আবৃত্তি করেন ডালিয়া আহমেদ।

লাইসা আহমেদ লিসা পরিবেশন করেন ‘আমার মুক্তি আলোয় আলোয়’। এরপর অভিনেতা মীর সাব্বির বরিশালের আঞ্চলিক ভাষায় সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘কেউ কথা রাখেনি’ কবিতা আবৃত্তি করে শোনান।

সাজেদ আকবর এবং সালমা আকবর যৌথভাবে দু’টি গান পরিবেশন করেন। তারা গান- ‘মায়াবন বিহারিণী হরিণী’, ‘ফুলে ফুলে দুলে দুলে’। প্রিয়াংকা গোপ ‘এই বাংলার মাটিতে মাগো জন্ম আমারে দিও’ গান পরিবেশন করেন। এরপর শুরু হয় রাখাইন সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে তাদের দলীয় নৃত্য পরিবেশনা। শেষে বিশিষ্ট নাট্যজন জয়ন্ত চট্টপাধ্যায় একটি কবিতা আবৃত্তি করেন।
সানবিডি/ঢাকা/রাআ