হোটেল কর্মচারীদের বেতন পরিশোধে এক হাজার কোটি টাকার ঋণ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০২১-০৭-১৫ ২৩:৪১:১১


করোনা ভাইরাসের কারণে পর্যটন খাতের হোটেল/মোটেল ও থিম পার্কের কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য এক হাজার কোটি টাকার এক বছর মেয়াদি চলতি মূলধন ঋণ সহায়তা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আট শতাংশ সুদে এ ঋণ দিবে ব্যাংকগুলো। তার মধ্যে চার শতাংশ গ্রাহক দিবে বাকি চার শতাংশ সরকার ভর্তুকি হিসেবে প্রদান করবে।

বৃহস্পতিবার রাতে (১৫ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে এ বিষয়ে একটি সার্কুলার ইস্যু করে তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক/প্রধান নির্বাহী বরাবর পাঠানো হয়।

ইস্যুকৃত চিঠিতে বলা হয়েছে, এ প্যাকেজের আওতায় ঋণের অনুমোদন ও বিতরণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদ্যমান নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে। সরকার কর্তৃক ভর্তুকি বাবদ প্রদত্ত সুদ বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের একাউন্টস এন্ড বাজেটিং ডিপার্টমেন্টে প্রদান করা হবে।

এছাড়া বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ঋণ প্রদানের জন্য তাদের নিজস্ব সীমার উপর ভিত্তি করে ঋণ দিতে হবে। এরআগে ব্যাংকগুলো আগামী ২৫ জুলাইয়ের মধ্যে তাদের প্রস্তাবনা কেন্দ্রীয় ব্যাংকে পাঠাবে। এরপর ব্যাংকসমূহ হতে সীমা সংক্রান্ত তথ্য পাওয়ার পর বিআরপিডি চূড়ান্ত সীমা নির্ধারণ করে দিবেন।

ব্যাংকগুলো থেকে দেয়া ঋণের মেয়াদ হবে সর্বোচ্চ এক বছর। এরপর বিনিয়োগে গ্রহীতা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক লেনদেন সন্তোষজনক হলে ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে ঋণ/বিনিয়োগের সুবিধাটি নবায়ন করা যাবে।

যে সকল হোটেল/মোটেল/থিম পার্ক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসমূহ সরকার এবং বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজ হতে ইতঃপূর্বে কোন সুবিধা গ্রহণ করেনি সে সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসমূহ তাদের কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য এ প্যাকেজের আওতায় ঋণ সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে। ঋণ গ্রহীতা যে ব্যাংকের মাধ্যমে বর্তমানে লেনদেন করে থাকে সে ব্যাংকের মাধ্যমে এ প্যাকেজের আওতায় ঋণ সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে। যে সকল প্রতিষ্ঠান একাধিক ব্যাংকের মাধ্যমে লেনদেন করে থাকে সে সকল প্রতিষ্ঠান লেনদেনকৃত ব্যাংকসমূহের যেকোন একটি ব্যাংকের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবে ।

গ্রাহককে ঋণ প্রদানের পর ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে(মার্চ, জুন, সেপ্টেম্বর ও ডিসেম্বর) আরোপিত সুদ/মুনাফার পরবর্তী মাসের ১০ তারিখের মধ্যে পরিশোধিত হলে সরকারের নিকট হতে সুদ/ মুনাফার বিপরীতে অবশিষ্ট ৪ শতাংশ ভর্তুকি হিসেবে পাবে। তবে সময়মতো সুদ/মুনাফা পরিশোধ না করলে সরকারি ভুর্তকি সুদ ঋণ গ্রহীতাকে বহন করতে হবে।

তফসিলি ব্যাংকগুলো প্রতি তিন মাস শেষে পরবর্তী মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে উক্ত ঋণের বিপরীতে ভুর্তকি প্রাপ্তির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের একাউন্টস এন্ড বাজেটিং ডিপার্টমেন্ট বরাবর আবেদন করবে।

সানবিডি/এএ