
হারারেতে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশের দেয়া ২৭৭ রানের টার্গেট তাড়া করতে গিয়ে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেল জিম্বাবুয়ে। দলের ৪ রানে সাউফুদ্দিনের শিকার হন মারুমানি। অভিষেক ম্যাচে ০ রান করে আউট হন তিনি। এতে চাপে পড়ে যায় জিম্বাবুয়ে । দলীয় ১৩ রানে তাসকিনের বলে সরাসরি বোল্ড হয়ে দলকে বড় বিপর্যয়ে ফেলেন ওয়েসলী মাধেবেরে।
বিপর্যয় কাটাতে মায়ার্সকে সঙ্গে নিয়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন অধিনায়ক টেইলর। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৭ ওভার শেষে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ২ উইকেটে ২৫ রান।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ২৭৬ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ।
ব্যাটিং ব্যর্থতার দিনে লিটন দাসের সেঞ্চুরির ওপর ভর করে ২৭৬ রান সংগ্রহ করে টাইগাররা। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১০২ রান করেন লিটন। এছাড়া আফিফ করেন ৩৫ বলে ৪৫ রান। মাহমুদউল্লাহ'র ব্যাট থেকে আসে ৩৩ রান। এছাড়া শেষদিকে মেহেদি মিরাজ করেন ২৬ রান।
এর আগে ইনিংসের শুরুতে রানের খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফিরেছেন তামিম ইকবাল। শূন্য রানে আউট হওয়ার মধ্যদিয়ে এক অস্বস্তিকর রেকর্ডের খাতায় নামও উঠেছে তার। তামিমের ফেরার পর আশা দেখাচ্ছিলেন সাকিব। কিন্তু তিনিও বেশিদূর এগোতে পারেননি। ১৯ রানেই ফিরে গেছেন। সাকিবের পথে হেঁটেছেন মোহাম্মদ মিঠুনও। তার ব্যাট থেকে আসে ১৯ রান। একের পর উইকেট পতন হলেও এদিন একপ্রান্ত আগলে রেখে খেলেন লিটন দাস। তুলে নেন ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরি।
জুটি গড়েন মাহমুদউল্লাহ'র সঙ্গে। দলকে টেনে তোলেন খাদের কিনার থেকে। লিটনের সঙ্গে গড়েন ৯৩ রানের জুটি। মাহমুদউল্লাহ ফিরে গেলে ক্রিজে ঝড় তোলেন আফিফ। ২ ছক্কা আর ১ চারে করনে ৩৫ বলে ৪৫ রান।
মাহমুদউল্লাহ ফিরলেও আফিফকে নিয়ে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন লিটন। ১১০ বলে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এই ম্যাচে তিন অঙ্কে পৌঁছান এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। এর পরপরই ১১৪ বলে ১০২ রান করে এনগারাভার বলে ওয়েলিংটন মাসাকাদজার হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান তিনি।
শেষ পর্যন্ত ২৬৭ লড়াকু পুঁজি পেয়েছে সফরকারীরা। জিম্বাবুয়ের হয়ে লুক জাঙ্গো নিয়েছেন ৩টি উইকেট। এছাড়া মুজারাবানি, এনগারাভা নিয়েছেন ২টি করে উইকেট।
সানবিডি/আরএইচ