

চ্যাম্পিয়নশিপ লিগের চ্যাম্পিয়ন হতে এক পয়েন্টই প্রয়োজন ছিল স্বাধীনতা ক্রীড়া সংঘের। রেফারির শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ কমলাপুর স্টেডিয়াম রূপ নিল উল্লাসে। অগ্রণী ব্যাংককে হারাতে পারেনি স্বাধীনতারা। বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ কমলাপুর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র হয়েছে।
ড্র করেই শিরোপা উৎসব উদযাপন করল স্বাধীনতার ফুটবলাররা। চ্যাম্পিয়ন লেখা ব্যানার নিয়ে কমলাপুর স্টেডিয়ামের শূন্য গ্যালারি প্রদক্ষিণ ও ট্রফি নিয়ে উল্লাস করেছে।
বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নশিপ লিগ (বিসিএল) হচ্ছে প্রিমিয়ার লিগের দ্বিতীয় স্তর। চ্যাম্পিয়নশিপ লিগের এবারের চ্যাম্পিয়ন দল আগামী প্রিমিয়ার লিগে খেলার সুযোগ পাবে। দুই মৌসুম আগে অবশ্য চ্যাম্পিয়নশিপ লিগের চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপ উত্তর বারিধারা ও পুলিশ উভয় দল প্রিমিয়ারে খেলেছিল। এবার বাইলজে চ্যাম্পিয়নশিপ লিগ থেকে শুধু চ্যাম্পিয়ন দল খেলবে। চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে প্রিমিয়ারে দল একটি হলেও এই স্তরে নিচের স্তরে রেলিগেটেড হবে দুটি দল।
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে বসুন্ধরা কিংসের শিরোপা জয় সময়ের অপেক্ষা মাত্র। নিচের স্তর চ্যাম্পিয়নশিপ লিগের শিরোপা নিশ্চিত হলো শেষ রাউন্ডে। সর্বশেষ রাউন্ডেও সমাপ্ত হতো না যদি আজ (রোববার) অগ্রণী ব্যাংক হারিয়ে দিত স্বাধীনতা সংঘকে। সেক্ষেত্রে নোফেল ও ফর্টিজের পয়েন্ট সমান হতো। স্বাধীনতা শেষ ম্যাচ ড্র করায় আর সেই জটিলতা হয়নি।
২২ ম্যাচে স্বাধীনতা ক্রীড়া সংঘ ১৩টি জিতেছে। ৬ ম্যাচ ড্র করে হেরেছে তিনটিতে। অন্যদিকে ভিক্টোরিয়াকে ৮-২ গোলে হারিয়ে রানার্সআপ হওয়ার সম্ভাবনা বাঁচিয়ে রেখেছে ফর্টিস ফুটবল ক্লাব। শেষ ম্যাচে নোফেল না জিতলে ফর্টিস হবে রানার্সআপ।
ম্যাচের পর মাঠেই চ্যাম্পিয়ন দলকে ট্রফি প্রদান করা হয়েছে। বাফুফের সিনিয়র সহসভাপতি আবদুস সালাম মুর্শেদী, সাধারণ সম্পাদক মো. আবু নাইম সোহাগসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
সানবিডি/ এন/আই