
করোনাভাইরাস প্রতিরোধে টিকাদানে গুরুত্ব দিচ্ছে সারা বিশ্ব।বাংলাদেশ সরকারও সব দিক থেকে টিকা আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।বর্তমানে দেশে টিকা সংকট দেখা দিয়েছে।এ পরিস্থিতিতে নতুন আশা জাগানিয়া খবর এসেছে সরকারের পক্ষ থেকে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন জানিয়েছেন, চলতি মাসেই দেশে আরও ৪৪ লাখ ডোজ টিকা দেশে আসবে। বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন কর্মের ওপর বায়োপিক প্রদর্শনী নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চলতি মাসে চীনের সিনোফার্ম থেকে আসবে ৩৪ লাখ ডোজ টিকা। আর কোভ্যাক্সের আওতায় অ্যাস্ট্রাজেনেকার আরও ১০ লাখ ডোজ টিকা দেশে আসবে। এছাড়া আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে ফাইজার থেকে আরও ৬০ লাখ ডোজ টিকা আসবে দেশে।
ড. মোমেন বলেন, চীনের সিনোফার্ম থেকে দেশে আনার জন্য ৭৫ মিলিয়ন টিকার অর্ডার দিয়েছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে আমরা ১৫ মিলিয়নের টাকা দিয়ে দিয়েছি। আর বাকি ৬০ মিলিয়নের টাকা বাকি আছে।
যে পরিমাণ টিকা দেশে আসছে সেগুলো রাখার সক্ষমতা আছে জানিয়ে মোমেন বলেন, আমাদের অনেক টিকা আসছে। এত টিকা রাখার ব্যবস্থা আছে কি না সেটা হচ্ছে প্রশ্ন। এ নিয়ে স্বাস্থ্য সচিবের সঙ্গে আমার আলাপ হয়েছে, তিনি জানিয়েছেন আমাদের টিকা রাখার ব্যবস্থা আছে।
ভারতের করোনা পরিস্থিতি আরেকটু উন্নতি হলে নয়াদিল্লি থেকে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা আসবে বলেও জানান মোমেন।
এ সময় টিকার যৌথ উৎপাদন প্রসঙ্গে ড. মোমেন বলেন, আমরা টিকার যৌথ উৎপাদনে যাব। আমি চাই খুব দ্রুত টিকার উৎপাদন শুরু হোক। যৌথ উৎপাদন শুরু করার জন্য চুক্তি সই করা হলেও সময় লাগবে।
এএ