
বিধিনিষেধের অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ট্রাকচালক আর শ্রমিকদের। বিধিনিষেধের মধ্যে প্রায় ৩ শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক আটকা পড়েছে মাদারীপুরের শিবচরের বাংলাবাজার ঘাটে। জরুরি পণ্যবাহী ট্রাক পার হলেও ভারী পণ্যের গাড়ি টার্মিনালে জটলা বেঁধে থাকতে হয়। এতে ট্রাকে থাকা চালক-শ্রমিকদের ভোগান্তি পোহাতে হয়।
ঘাট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা আর অব্যবস্থাপনায় দুর্ভোগ কমছে না বলে দাবি করেছেন আটকে পড়া শ্রমিকেরা। অন্যদিকে কর্তৃপক্ষ সরকারি নির্দেশ মেনে কাজ করছেন বলে তাদের দাবি। গত এক সপ্তাহ ধরে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার ঘাটে ট্রাক চালক-শ্রমিকদের দুর্ভোগের চিত্র হরহামেশাই ঘটছে।
দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ২১ জেলার প্রবেশদ্বার শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌপথ। যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম হওয়ায় পণ্য আনা নেওয়ার জন্য এ রুট ব্যবহার করে পণ্যবাহী পরিবহনগুলো।
বাংলাবাজার ফেরিঘাটের আটকে থাকা এক ট্রাক চালক জানান, ঘাটের পুলিশ আমাদের মাঝে মাঝেই মারধর করে। পান থেকে চুল খসলেই স্থানীয়দের নিয়ে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে। সিরিয়ালে অনিয়ম হয়। টাকার বিনিময় আগে সিরিয়াল পাওয়া যায়। পুলিশ এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত। আমাদের ট্রাকে মাঝে মাঝে মালামাল চুরি হয়। কর্তৃপক্ষ আমাদের এই মানবেতর জীবনযাপন বন্ধে ব্যবস্থা নিলে খুশি হবো।
তবে বিআইডব্লিউটিসির বাংলাবাজার ঘাটের ব্যবস্থাপক মো. সালাউদ্দিন বলেন, ‘আমরা পচনশীল দ্রব্যের পরিবহন আর অ্যাম্বুলেন্স অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পার করছি। এই কয়েক দিন ঘাটে যাত্রী বেশি থাকায় অন্য পরিবহন কম পার হচ্ছে। তবে এখন নিয়মিত ট্রাক পারাপার করছি। বর্তমানে এ রুটে নিয়মিত ১০টি ফেরি চলাচল করছে। আর বড় ফেরি পদ্মা নদীতে তীব্র স্রোত থাকায় বন্ধ রেখেছি।’
এএ