নগর-রাষ্ট্র সিঙ্গাপুর আনন্দ-উৎসবের মধ্য দিয়ে উদযাপন করছে ৫৬তম স্বাধীনতা দিবস। সিঙ্গাপুরের জাতীয় দিবস ৯ আগস্ট । ১৯৬৫ সালে মালয়েশিয়া থেকে স্বাধীনতা লাভ করে সিঙ্গাপুর। সিঙ্গাপুর প্রধানত তিনটি জাতিগোষ্ঠীর দেশ। চীনা, মালয় আর ভারতীয়। দেশকে তিনটি জাতিগোষ্ঠীই সমানভাবে ভালোবাসে।
সিঙ্গাপুরের জাতীয় দিবসে মেরিনা বে ফ্লোটিং প্ল্যাটফর্মে ৬০০ ইউনিফর্মধারী অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে একটি স্কেল-ডাউন আনুষ্ঠানিক প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়। ৯টি ইউনিফর্মধারী গ্রুপ এবং ১২টি সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংগঠনের আরও ২০০ জন অংশগ্রহণ করেছিল। কোভিড পরিস্থিতিতে মহামারির মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার কঠোর নিরাপত্তা এবং জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাসহ স্বাভাবিক সামরিক নির্ভুলতার সাথে কার্যপ্রণালি উন্মোচিত হয়। প্রধানমন্ত্রী লি সিয়েন লুং, ক্যাবিনেট মন্ত্রী এবং সংসদ সদস্যরা প্রথাগত লাল-সাদা পোশাকে সজ্জিত হয়েছিলেন। তারা নিরাপদ দূরত্বের নির্দেশিকা অনুসারে পৃথকভাবে বসেছিলেন।
রাজনৈতিক নেতা, এমপি এবং ১০০ জন লোকের মাঝখানে একটি অংশ বাদে দর্শকের বসার জায়গাগুলো খালি ছিল। যারা করোনাকালীন সামনের সারিতে কাজ করেছেন বা অপরিহার্য ভূমিকায় রয়েছেন অথবা মহামারির মধ্যে কমিউনিটির স্বেচ্ছাসেবকসহ মিডিয়ার কর্মীরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লি সিয়েন লুং, রোববার তার জাতীয় দিবসের ভাষণে সিঙ্গাপুরের বসবাসরত সবাইকে শুভেচ্ছা জানান এবং বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় সার্বিক বিষয়ে নিয়ে আলোচনা করে দিকনির্দেশনা প্রধান করেন।
জনসমাগম যাতে সৃষ্টি না হয়, সে জন্য মেরিনা বে এলাকার কিছু অংশ জনসাধারণের জন্য মধ্যরাত থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত বন্ধ ছিল। আয়োজকরা সবাইকে বাসায় থাকার জন্য উৎসাহিত করার চেষ্টা করেছিলেন। সকাল ৫টা ৫০ মিনিটে কুচকাওয়াজ শেষ হওয়ার সাথে সাথে ছয়টি এফ-১৫ এসজি যুদ্ধবিমান উড়ে যায়।
সানবিডি/ এন/আই