
মহামারি করোনার ছোবলে বিশ্বব্যাপী যে সংকট দেখা দেয় তা থেকে মুক্তি পায়নি বৈশ্বিক স্বর্ণের বাজারও। গত বছর মূল্যবান ধাতুটির বৈশ্বিক চাহিদা কমে ১১ বছরের সর্বনিম্নে নেমে যায়। তবে এ বছর চাহিদা ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে। চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে তুলনায় দ্বিতীয় প্রান্তিকে স্বর্ণের চাহিদা বেড়েছে ৯ শতাংশ। ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিল (ডব্লিউজিসি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
বিশ্বজুড়ে বিনিয়োগকারীদের কাছে চাহিদা কমলেও বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) স্বর্ণে বিনিয়োগের পরিমাণ বেড়েছে। পণ্য খাতে ভোক্তা বিনিয়োগ স্বর্ণের চাহিদাকে ৯৫৫ দশমিক ১ টনে উন্নীত করেছে। এ বছরের প্রথম প্রান্তিকের তুলনায় চাহিদা বাড়লেও গত বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের তুলনায় চাহিদা অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে এ বছরের প্রথমার্ধে স্বর্ণের বৈশ্বিক চাহিদা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।
এ বিষয়ে ডব্লিউজিসি ‘গোল্ড ডিমান্ড ট্রেন্ড’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এই প্রতিবেদনে বলা হয়, চাহিদার উল্লম্ফনে চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে স্বর্ণের দাম গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬ শতাংশ বেড়েছে। প্রতি আউন্স স্বর্ণের গড় দাম দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮১৭ ডলার ৪০ সেন্টে।
সানবিডি/এনজে