দেশে এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) আমদানিতে ভর্তুকিতে টাকা না পাওয়া গেলে এ মাসেই পেট্রোবাংলার তহবিলে টান পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। গত ৪ নভেম্বর পেট্রোবাংলা থেকে চিঠি দিয়ে এই শঙ্কার কথা জ্বালানি বিভাগকে জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে জ্বালানি এবং খনিজ সম্পদ বিভাগ সূত্র জানায়, সম্প্রতি বিভাগের এক বৈঠকে বিষয়টি আলোচনা করা হয়। বৈঠকে এলএনজির ভর্তুকির অর্থ সংস্থানের নির্দেশ দেন জ্বালানি সচিব আনিসুর রহমান।
বৈঠকের একটি সূত্র জানায়, সচিব বলেছেন প্রয়োজনে অর্থ বিভাগে যোগাযোগ করে এলএনজির ভর্তুকির বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।
সব শেষ খোলা বাজারে এলএনজির দর উঠেছে প্রতি এমএমবিটিইউ (ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট) ৩৯ ডলার। বাড়তি দরে এলএনজি কেনার জন্য অর্থ বছরের মাঝামাঝি এসে সরকারকে বড় ভর্তুকি দিতে হবে। তবে শীতে বিদ্যুতের চাহিদা কমে যাওয়ায় কম এলএনজির প্রয়োজন পড়বে। ফলে ওই সময়ে কিছুটা সাশ্রয় হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকার ভর্তুকি প্রয়োজন হবে বলে জ্বালানি বিভাগ সূত্র জানায়।
এই ভর্তুকির প্রায় পুরোটাই পেট্রোবাংলা এবং গ্যাস বিপণন কোম্পানির তহবিল থেকে দেওয়া হয়েছে। অর্থ বিভাগে বারবার তাগিদ দেওয়ার পরও অর্থ ছাড় না করার অভিযোগ করছে জ্বালানি বিভাগ।
জ্বালানি বিভাগ সূত্র জানায়, গ্রাহক গ্যাস বিলের সঙ্গে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দেয়। সেই অর্থই পেট্রোবাংলার কাছে গ্যাস উন্নয়ন তহবিল হিসেবে জমা থাকে। সেখান থেকেই এলএনজির বেশিরভাগ দেনা মেটানো হয়। এখন সেই তহবিলেও টান পড়েছে।
সানবিডি/এনজে