
চট্টগ্রামে শিপিং মাস্টার হত্যাকাণ্ডের রহস্যের জট খুলেছে। মায়ের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পেয়ে 'এমভি সাগর কন্যা'র সারেং (মাস্টার) মোহাম্মদ মহসিনকে (৫০) খুন করে আরিফুল (১৯)।
শনিবার দুপুরে আরিফুল আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। এর পর সাংবাদিকদের কাছে জাহাজের মাস্টার হত্যার রোমহর্ষক ঘটনার বিবরণ দেন তিনি।
ঘটনার দীর্ঘ এক মাস পর শুক্রবার রাতে নগরীর পতেঙ্গা সী-বিচ এলাকা থেকে পুলিশ আরিফুলকে গ্রেফতার করে। তার কাছ থেকে মহসিনের ব্যবহৃত দুইটি মোবাইলফোন উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, ঘুমন্ত জাহাজের মাস্টার মহসিনকে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। লাশ লুকিয়ে রাখা হয় খাটের নিচে। সেখান থেকে দুদিন পর লাশ বের করে করাত দিয়ে কাটা হয়। হাত-পা ও মাথাসহ পুরো শরীরকে ১০ টুকরা করে ঢুকানো হয় তিনটি বস্তায়।
রাতের আধারে প্রথমে একটি বস্তায় মস্তকবিহীন শরীরের বড় অংশ ফেলা হয় হালিশহর শারীরিক শিক্ষা কলেজের পাশে।
সেখান থেকে এসে লাশের আরেকটি বস্তা নিয়ে ফেলে আসা হয় বন্দরের ৫ নম্বর জেটি এলাকার একটি ব্রিজের নিচে। সেখানে লাশের সঙ্গে হত্যায় ব্যবহৃত করাতও ফেলে দেয়া হয়।
সর্বশেষ লাশের টুকরা ভর্তি বস্তাটি নিয়ে আরিফ ৫ নম্বর জেটিঘাট থেকে নৌকা নিয়ে মাঝ নদীতে নিয়ে ফেলে দেয়। ওই বস্তায় ছিল লাশের মাথা ও হাত।