
চলতি অর্থবছর শেষে ভারতের অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি ব্যয় প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে।মূলত বিশ্ববাজারে পণ্যটির দাম সাত বছরের সর্বোচ্চে আরোহণ করায় অতিরিক্ত ব্যয়ের ধাক্কা সামাল দিতে হচ্ছে দেশটিতে। খবর দ্য হিন্দু বিজনেস লাইন।
এ ব্যাপারে ভারতের জ্বালানি তেলবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পেট্রোলিয়াম প্ল্যানিং অ্যান্ড অ্যানালাইসিস সেলের দেয়া তথ্য বলছে, গত বছরের এপ্রিলে অর্থবছর শুরু হয়েছে। চলতি বছরের ৩১ মার্চ শেষ হবে। এ অর্থবছরে দেশটির অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি ব্যয় দাঁড়াবে ১০ হাজার কোটি ডলারে। অর্থবছরের ১০ মাসে (এপ্রিল-জানুয়ারি) দেশটি জ্বালানি তেল আমদানিতে ব্যয় করেছে ৯ হাজার ৪৩০ কোটি ডলার। শুধু জানুয়ারিতেই দেশটি ব্যয় করেছে ১ হাজার ১৬০ কোটি ডলার। কারণ এ মাসেই জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছায়। অথচ গত বছরের জানুয়ারিতে ভারত জ্বালানি পণ্যটি আমদানিতে ৭৭০ কোটি ডলার ব্যয় করেছিল।
এদিকে ফেব্রুয়ারিতে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায়। এখনো প্রতি ব্যারেল ১০০ ডলারের বেশি দামেই বিক্রি হচ্ছে। ভারত মোট চাহিদার ৮৫ শতাংশ অপরিশোধিত জ্বালানি তেলই আমদানি করে। বাজারদরের এমন উল্লম্ফনের কারণে দেশটির বাজারসংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, অর্থবছর শেষে মোট আমদানি ব্যয় দাঁড়াবে ১১ হাজার কোটি থেকে ১১ হাজার ৫০০ কোটি ডলারে।
ভারত অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি করে তা পরিশোধন কেন্দ্রগুলোর মাধ্যমে পেট্রল ও ডিজেলসহ বিভিন্ন মূল্যসংযোজনকারী পণ্যে রূপান্তর করে। এর পর সেসব পণ্য অটোমোবাইল ও অন্য ব্যবহারকারীদের কাছে বিক্রি করা হয়।
সানবিডি/এনজে