
চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে আল্লামা শাহ অছিউর রহমান হাফেজি মাদরাসা থেকে ইফতেখার মালেকুল মাশফি (৭) নামে এক ছাত্রের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মাদ্রাসার ৩ শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে।
শনিবার দুপুর ১টার দিকে তাদের পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয় বলে জানান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল করিম। ছেলেটি একই ইউনিয়নের ফকিরাখালী এলাকার আব্দুল মালেকের ছেলে।
ওই তিন শিক্ষক হলেন-চট্টগ্রামের আনোয়ারার বাসিন্দা হাফেজ জাফর আহমেদ, ফটিকছড়ির নানুপুর এলাকার হাফেজ রোস্তম আলী এবং নোয়াখালীর শাহাদাত হোসেন।
ওসি আব্দুল করিম বলেন, ‘শিশুর মরদেহ পাওয়ার পর ক্ষুব্ধ লোকজন মাদ্রাসার তিন শিক্ষককে একটি কক্ষে তালাবদ্ধ করে রেখেছিল। পরে পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মাদ্রাসার তিন শিক্ষককে হেফাজতে নেয়া হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। কে কেন এই শিশুকে হত্যা করল তা জিজ্ঞাসাবাদে জানা যেতে পারে।’
মাদরাসার পরিচালক শাহজাদা শেখ মো. সালাউল্লাহ জানিয়েছেন, সকালে মাশফি সবার সঙ্গে নামাজ পড়েছে। এরপর ছবকও নিয়েছে। ৭টার দিকে নাস্তা করতে গেলে তাকে আর পাওয়া যায়নি। শিক্ষার্থীরা খুঁজতে খুঁজতে একপর্যায়ে হেফজখানার দু’তলায় তার গলাকাটা মরদেহ দেখতে পায়। মাদরাসায় তখন শিক্ষার্থী ও হাফেজ জাফর আহমদ ছিল।
এর আগে বেলা ১১টার দিকে উপজেলার চরণদ্বীপ ইউনিয়নের আল্লামা শাহ আছিয়র রহমান হেফজখানা ও এতিমখানা থেকে শিশু ইফতেখার মালেকুল মুশফির গলাকাটা দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এম জি