
রাশিয়ার ইউক্রেনে সামরিক আগ্রাসন ও শুরুর পর দেশটির ওপর পশ্চিমা দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞায় যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৩০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। ২০০৮ সালের জুলাইয়ের পর যা সর্বোচ্চ। খবর সিএনবিসি।
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট ভবিষ্যৎ সরবরাহ বাজারে রোববার ব্যারেলপ্রতি জ্বালানি তেলের দাম ১২৬ দশমিক ৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে। দিনের এক পর্যায়ে তা বেড়ে ১৩০ দশমিক ৫ ডলারে দাঁড়ায়।
আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৯ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়ে ১২৯ দশমিক ৭৫ ডলারে পৌঁছেছে। এক রাতের মধ্যে তা বেড়ে ১৩৯ দশমিক ১৩ ডলারে পৌঁছে। এটিও ২০০৮ সালের তুলনায় বেশি। অ্যাগেইন ক্যাপিটালের জন কিলডাফ জানান, রাশিয়ার তেল ও পণ্যের ওপর পরিপূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে। এতে অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়ছে। গ্যাসোলিনের দামের ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত রয়েছে। কিছু প্রদেশে অল্প সময়ের মধ্যে আরো ৫ ডলার দাম বেড়ে যাবে।
সম্প্রতি সিএনএনের স্টেট অব দি ইউনিয়ন অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন বলেন, রাশিয়ার কাছ থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানি চিরতরে বন্ধের কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা।
তিনি বলেন, বর্তমানে আমরা ইউরোপের সহযোগী ও মিত্রদের সঙ্গে সামগ্রিকভাবে রাশিয়া থেকে তেল আমদানি বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়ার পাশাপাশি বিশ্বে পর্যাপ্ত অপরিশোধিত তেল সরবরাহের বিষয়েও কাজ করছি।
অন্যদিকে স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি রোববার সন্ধ্যায় ডেমোক্র্যাট দলীয় আইনপ্রণেতাদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে জানান, রাশিয়া থেকে তেল আমদানি নিষিদ্ধে শক্তিশালী আইন কার্যকর করা নিয়ে ভাবছে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদ। এটি কার্যকর হলে রাশিয়া বিশ্ব অর্থনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে।
সানবিডি/এনজে